একাকিত্বের ক্ষেত্রে স্ক্রিনের প্রভাব দুই দিকে। নিঃসঙ্গ মানুষের কাছে স্ক্রিন একরকম সঙ্গী। কিন্তু যদি বাস্তব সম্পর্কের বিকল্প হয়ে দাঁড়ায় স্ক্রিন, তখন কী হবে? অনলাইনে কেনাকাটার মতো কাজগুলো করা যায়, কিন্তু পাশের মানুষের সঙ্গে স্বাভাবিক কথা বলা কমে যায়। আরেকটি দিক হলো, এআই দিয়ে তৈরি বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট। শিশু-কিশোরেরা কনটেন্টটা যে এআই দিয়ে তৈরি, সেটা সহজে ধরতে পারে, বয়স্করা সেটা সহজে পারেন না।
তাই এখন শুধু শিশু-কিশোরদের স্ক্রিন টাইম নিয়ে দুশ্চিন্তা না করে বয়স্কদের প্রতি মনোযোগ দেওয়ার সময় হয়েছে। পরেরবার যখন আমরা কোনো শিশুকে বলব, এখন ফোনটা রেখে দাও, তখন হয়তো সে দাদুর দিকেও তাকাবে। কারণ, দাদুও তো ফেসবুকে একটা নতুন মিম দেখে হাসছেন।


