নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তিন দিন আগে ঢাকা-১৮ আসন থেকে নির্বাচন না করার ঘোষণা দিয়েছেন।
তবে তিনি বগুড়া-২ আসন থেকে নাগরিক ঐক্যের হয়ে প্রার্থী থাকছেন।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাত পৌনে ১২টার দিকে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে এ ঘোষণা দেন তিনি। প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে আসার কারণ হিসেবে তিনি জানিয়েছেন যে, তিনি নির্বাচনের ব্যয় বহন করতে পারছেন না।
ওই ফেসবুক পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, “নির্বাচন এতই ব্যয়বহুল যে তা নির্বাহ করা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। এই প্রেক্ষিতে আমি ঢাকা-১৮ আসনের নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ”
নির্বাচনের একদম শেষ সময়ে এসে এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেয়ার পেছনে কারণ জানতে চাইলে তিনি বিবিসি বাংলাকে জানান, তিনি সপ্তাহখানেক ধরেই চেষ্টা করছিলেন যে আর্থিকভাবে সামাল দিয়ে উঠতে পারেন কিনা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তিনি হিমশিম খাচ্ছিলেন।
“ঢাকা- ১৮ খুব এক্সপেন্সিভ একটা আসন। ভোটকেন্দ্র আড়াইশর বেশি। ভোটের দিন প্রতিটি কেন্দ্রের জন্য আলাদা খরচ আছে। তাছাড়া প্রতিদিনের খরচ আছে, নির্বাচনী প্রচারণার খরচ, কর্মীদের খরচ। আমার তো ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টকে দিয়ে কিছু করানোর অবস্থা নেই। আমি শেষ পর্যন্ত চেয়েছি কন্টিনিউ করতে। ভাবছিলাম সমাধান পাবো। কিন্তু পরে কুলিয়ে উঠতে পারিনি।” তিনি বলেন।
রোববার রাতের ওই ফেসবুক পোস্টে তিনি জানিয়েছেন, একটি বিশেষ পরিস্থিতিতে সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৮ এবং বগুড়া-২ (আসন) থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।
ঢাকা-১৮ একটি বিশাল নির্বাচনী এলাকা। এর অন্তর্গত সাড়ে সাতটি থানা এবং সাড়ে ছয় লক্ষের মত ভোটার এখানে। নির্বাচন এতই ব্যয়বহুল যে তা নির্বাহ করা তার পক্ষে সম্ভব হয়নি।
তার এই সিদ্ধান্তে কেউ মনে কষ্ট পেয়ে থাকলে দুঃখ প্রকাশ করেন তিনি।
মাহমুদুর রহমান মান্না বর্তমানে বগুড়ায় অবস্থান করছেন। তিনি বগুড়া-২ আসন থেকে নাগরিক ঐক্যের হয়ে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন এবং সেখানে তার নির্বাচনী কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন।




