আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে সাংবাদিক সোহরাব হাসান বলেন, শোষণমুক্ত সমাজ বিনির্মাণের লড়াইয়ের অঙ্গীকার নিয়ে জেএসডির যাত্রা শুরু হয়েছিল। কিন্তু বর্তমানে রাষ্ট্র সংস্কারের কর্মসূচিকে সামনে নিয়ে আসা হচ্ছে, যা আদর্শিক অবস্থান থেকে এক ধরনের বিচ্যুতি। তবে এই বাস্তবতা মেনে নিয়েই জনগণকে ক্ষমতায়িত করার লড়াই অব্যাহত রাখতে হবে।
সাবেক সংবিধান সংস্কার কমিশনের সদস্য ও আইনজীবী শরীফ ভূঁইয়া বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা, জাতীয় সনদ ও গণভোটের রায়—এমনকি বিএনপির ৩১ দফায় দেওয়া অঙ্গীকারও কার্যকর করা হচ্ছে না। নির্বাচিত বিএনপি সরকার জনগণের কাঙ্ক্ষিত পথ কিংবা নিজেদের প্রতিশ্রুতির পথে হাঁটছে না। সংবিধানের গভীর সংস্কারে গণভোটের রায় বাস্তবায়নের ঐতিহাসিক সুযোগ হাতছাড়া হয়েছে।
শরীফ ভূঁইয়া আরও বলেন, শাসনক্ষমতা ও রাষ্ট্রকাঠামো এমনভাবে সাজাতে হবে, যাতে সরাসরি জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা সম্ভব না হলেও অন্তত জনকেন্দ্রিক শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা যায়। ক্ষমতাকে ব্যক্তিকেন্দ্রিক না রেখে বিস্তৃত ও বিকেন্দ্রীভূত করতে হবে। রাষ্ট্রের তিন বিভাগের মধ্যে ক্ষমতার পৃথক্করণ নিশ্চিত করতে হবে। ক্ষমতা-কাঠামোর পরিবর্তন না হলে রাষ্ট্র আবার আগের অবস্থায় ফিরে যাবে।