কেউ কেউ অবশ্য সোয়েটার, টুপি, মোজা পরে ফুলবাবুটি সেজে বসে থাকতেও পছন্দ করে। সেটাও শিশুর জন্য স্বাভাবিক আচরণ। তবে যেসব শিশু এসব অনুষঙ্গ ব্যবহার করতেই চায় না, তাদের ঘরে পরার জন্য হালকা জুতার ব্যবস্থা রাখতে পারেন। শীতের অনুষঙ্গ না পরলে খুব শীতে সে অসুস্থ হয়ে পড়তে পারে, সেটিও বোঝাতে চেষ্টা করতে পারেন। ঘুমের সময়ও দুই স্তরের পোশাক পরিয়ে দিন, যাতে লেপ-কম্বল সরে গেলেও অসুবিধা না হয়। যেসব শিশু রাতে গায়ে লেপ-কম্বল রাখে না, তাদের ছোট মশারির ওপর কাঁথা বিছিয়ে দিতে পারেন। তবে মশারির ওপর কাঁথা বিছানোর সময় বিশেষ সতর্কতা রাখুন, যেন শিশুর মাথার দিকটা ফাঁকা থাকে। না হলে শিশুর নিশ্বাস নিতে সমস্যা হবে। এভাবে কিছুটা হলেও ঠান্ডা হাওয়া থেকে নিরাপত্তা পাবে। শিশু বাইরে যাওয়ার সময় তাকে বুঝিয়ে বলুন, ঠান্ডা আবহাওয়ায় কেন শীতের অনুষঙ্গ ব্যবহার করা জরুরি। তার পছন্দের রং এবং ডিজাইনের টুপি ও মোজা পরিয়ে দিন ওই সময়টুকুর জন্য। বাজারে শিশুদের পছন্দসই কার্টুনের নকশা করা শীতের অনুষঙ্গ পাওয়া যায়। হেডফোনের মতো কানটুপিও পরাতে পারেন বাইরে যাওয়ার সময়।
Recent Posts
৫৫ ঘণ্টায় ১৬০ কিলোমিটার সাঁতরে রেকর্ড গড়লেন পোলিশ সাঁতারু
August 15, 2026
‘বাবা, ভাত খেতে আসো তাড়াতাড়ি… কেউ বলবে না’ | চ্যানেল আই অনলাইন
August 15, 2026