

সোমবার সন্ধ্যায় দিল্লির চাঁদনি চকে এক ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। লাল কেল্লার কাছে একটি গাড়ি বিস্ফোরণের খবর গোটা দেশকে কাঁপিয়ে দেয়। দিল্লির লাল কেল্লার গাড়ি বিস্ফোরণের সঙ্গে ফরিদাবাদ সন্ত্রাসী মডিউলের যোগসূত্র রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। সন্ধ্যা ৬:৫২ মিনিটে এই বিস্ফোরণে নয়জন নিহত এবং ২০ জন আহত হন। এই গাড়ি বিস্ফোরণের রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা চলছে। এদিকে পুলিশ তদন্তে নতুন নতুন সূত্র উন্মোচন করছে। সেই সূত্র জানিয়েছে, দিল্লির গাড়ি বিস্ফোরণটি একটি আত্মঘাতী বোমা হামলা ছিল। মূল অভিযুক্ত ডা. উমর মহম্মদ তার গাড়িতে নিজেকেও উড়িয়ে দিয়েছেন। সিসিটিভি ফুটেজে তার কাটা হাত দেখা গিয়েছে। তবে, কেবল ডিএনএ পরীক্ষা করেই জানা যাবে যে তিনি আসলে সেই বিস্ফোরণ করেছিলেন কি না। সূত্র জানিয়েছে, তার তিন সহযোগীকে গ্রেফতার করার পর ডা. উমর তার গাড়িতে নিজেকে উড়িয়ে দিয়েছিলেন। এও জানা গিয়েছে যে ডা. উমর মহম্মদের ফরিদাবাদ সন্ত্রাসী মডিউলের সঙ্গে সংযোগ রয়েছে। এই মামলায় ইতিমধ্যেই তিনজন ডাক্তারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এখন প্রশ্ন হল, চারজন সন্ত্রাসী কি একে অপরের সঙ্গে যুক্ত এবং তাঁদের কি আরও বড় পরিকল্পনা ছিল? সহকর্মী ডাক্তারদের গ্রেফতারের পর উমর কি আতঙ্কেই এই হামলা চালিয়েছিলেন?


