
আগামী ১৯ জানুয়ারি থেকে মাঠে গড়াতে যাচ্ছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) দশম আসর। একে একে দশটি মৌসুম হতে চললেও এখনো পেশাদারিত্বের ছোঁয়া লাগেনি ঘরোয়া ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় এ টুর্নামেন্টের। বিপিএলকে ঘিরে বিতর্ক যেন নিত্তদিনের সঙ্গী। এ টুর্নামেন্ট থেকে পাওয়া অর্থ যায় বিসিবির কোষাগারে। তবে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের মালিক নাফিসা কামাল লভ্যাংশের ভাগ দাবি করেছেন। তা না পেলে বিপিএল থেকে সরে যাওয়ারও হুমকি দিয়েছেন।
নাফিসা কামাল বলেন, “আমরা স্পন্সরদের কাছ থেকে সাড়া পাই। কারণ আমরা পেশাদারভাবে কাজ করি। আমাদের দলে বিনিয়োগ করে স্পন্সর সেই মূলটা পাবে বা পায়, প্রতিদিন পাচ্ছে। আমাদের দল কিন্তু আমাদের পকেট থেকে হচ্ছে না, পুরো স্পন্সর-বেজড। সামনে যদি স্পন্সর না পাই, তাহলে বিপিএল করব না। কারণ পকেট থেকে বিপিএল করার তো মানেই হয় না”
তবে বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরী সুজন বলছেন নাফিসা কামালের দাবি মেনে নেওয়া সম্ভব না। বিশ্বের অন্যান্য ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টের সাথে বিপিএলের বিস্তর ফারাক আছে বলে মনে করেন তিনি। সেই সাথে অন্যান্য টুর্নামেন্টে যে ফ্র্যাঞ্চাইজি ফি সেটা বিপিএলে সম্ভব না বিসিবির প্রধান নির্বাহীর।
সুজন বলেন, “দল মালিকরা আমাদের সঙ্গে বসলে আমরা যখন পুরো বিষয়টি বোঝাব, আমি নিশ্চিত তাঁরাও বুঝবেন যে এটি বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সম্ভব নয়। পিএসএলের উদাহরণ দেওয়া হয় এখন। ওখানে ফ্র্যাঞ্চাইজি ফি কত জানেন? স্পর্শকাতর তথ্য বলে দিতে পারছি না। এটুকুই শুধু বলি, বিস্তর ফারাক। এখন আয় শেয়ার করতে গেলে মডেল বদলাতে হবে। পিএসএলের ফর্মুলায় গেলে যে ফ্র্যাঞ্চাইজি ফি হবে, বাংলাদেশের বাস্তবতায় তা নিতে গেলে বিপিএলটা আর টেকসই হবে না”



