২৫ বছর ধরে খেদমতদার (স্বেচ্ছাসেবক) হিসেবে দরগাহে কাজ করেন নুরুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘ইফতারির হল নিয়ামতের জিনিস। দেশের সব জেলার মানুষ অনেক দূরদূরান্ত থেকে আসে। নিম্নবিত্ত থেকে উচ্চপর্যায়ের মানুষও এখানে বসে। অনেকেই মানত করেন, ইফতার করার জন্য আসেন। আমারও এখানে সন্তুষ্টি কাজ করে।’
তিন দশক ধরে দরগাহের লঙ্গরখানায় কাজ করছেন সৌরভ সোহেল। এখন তিনি প্রধান বাবুর্চির দায়িত্বে আছেন। আগে তাঁর বাবা এবং দাদাও একই দায়িত্বে ছিলেন।
জানতে চাইলে সৌরভ সোহেল বলেন, ‘ইফতারে প্রতিবছরই আখনি কিংবা খিচুড়ি থাকে। ভিন্ন ভিন্ন মৌসুমে রোজা থাকায় আয়োজনেও ভিন্নতা থাকে। এখন যেমন কিছুটা শীত, তাই এবার শীতকালীন সবজি দিয়ে রান্না করা হচ্ছে অনেক খাবার। আবার কখনো পোলাও, বিরিয়ানির সঙ্গে গরু কিংবা খাসির মাংস, ডিম, কোরমা ইত্যাদি রান্না করা হয়। সাহ্রিতেও প্রায় একই রকম থাকে।’
দরগাহের খাদেম সামুন মাহমুদ খান প্রথম আলোকে বলেন, হজরত শাহজালাল (রহ.) ওফাতের ৭০৭ বছর হয়েছে। তিনি তাঁর সঙ্গী ও যাঁরা তাঁর কাছে আসতেন সবাইকে নিয়ে ইফতার করতেন। এই ধারাবাহিকতায় তাঁর ওফাতের পরও অনুসারীরা সেই ঐতিহ্য ধরে রেখেছেন। এই ধারাবাহিকতায় ইফতার আয়োজন চলছে। তবে এবার তিনি অসুস্থ থাকায় সাহ্রি আয়োজন করা হচ্ছে না।



