কিন্তু সময় বদলেছে। একসময় বছরে ডজনখানেক সিনেমা করলেও এখন আর পর্দায় রীনা খানকে নিয়মিত দেখা যায় না। কিছুদিন আগে দেশ টেলিভিশনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আক্ষেপের সুরেই বলেছিলেন তিনি—‘এখন তো আগের মতো সিনেমা হয় না। লাভ না উঠলে, সিনেমা না চললে সিনেমা হবে কীভাবে?’ তাঁর মতে, এখনো যেহেতু শাকিব খানের সিনেমাই বেশি চলে, তাই সিনেমা নির্মাণেও সেই বাস্তবতা মাথায় রেখে পরিকল্পনা করা উচিত।
এর মধ্যেও থেমে যাননি রীনা খান। অভিনয়ের প্রতি টান থেকেই খুলেছেন নিজের ইউটিউব চ্যানেল। প্রায় এক বছর হলো চলছে সেই চ্যানেল। সেখানে নিয়মিত নাটক বানাচ্ছেন, অভিনয়ও করছেন নিজেই। দর্শকদের প্রতিক্রিয়াও ইতিবাচক—অর্থাৎ পর্দা বদলালেও দর্শকের ভালোবাসা কিন্তু রয়ে গেছে তাঁর প্রতি। তবে খলচরিত্র তাঁকে যেমন জনপ্রিয় করেছে, তেমনি ব্যক্তিজীবনে এনেছে নানা ভুল ধারণা, কষ্টের মুহূর্তও। নিজের অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে এক সাক্ষাৎকারে রীনা খান বলেন, ‘অনেকে আমাকে বলেছে, আমার ঘরে যদি ছেলে–বউ আসে, তাকে নাকি থাকতে দেব না। আমাকে বলেছে, আমি নাকি খারাপ মহিলা, খারাপ শাশুড়ি। এমনও শুনেছি—রিকশাওয়ালার ছেলের সঙ্গে বিয়ে দেবে, তবু রীনা খানের ছেলের সঙ্গে নয়!’


