মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ১১০টি অধ্যাদেশকে বিল আকারে সংসদে আনতে হয়েছে, যা ৯১টি বিলের মাধ্যমে উপস্থাপন করা হয় এবং সেগুলো সংসদে পাস হয়েছে। তিনি বলেছেন, সরকারের পক্ষ থেকে প্রণীত এসব আইনের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অস্বচ্ছতা রাখা হয়নি; বরং যেসব অধ্যাদেশে আরও পর্যালোচনার প্রয়োজন, সেগুলো স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
আইনমন্ত্রী বলেন, ৯৭টি অধ্যাদেশ হুবহু আগের মতোই পাস করা হয়েছে। ১৩টি অধ্যাদেশ সংশোধন করে পাস করা হয়েছে এবং ৭টি অধ্যাদেশ রহিতকরণ-সংক্রান্ত বিল হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। বাকি ১৬টি অধ্যাদেশ সংসদে উপস্থাপন করা হয়নি।
আইনমন্ত্রী বলেন, যেসব অধ্যাদেশ রহিতকরণ বিল হিসেবে আনা হয়েছে, সেগুলোর মধ্যেও সংশ্লিষ্ট আইনের প্রস্তাবনায় (প্রিঅ্যাম্বল) স্পষ্টভাবে কারণ উল্লেখ করা হয়েছে। উদাহরণ হিসেবে তিনি জাতীয় মানবাধিকার কমিশন, সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ এবং সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়সংক্রান্ত অধ্যাদেশের কথা তুলে ধরেন। এসব ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে আরও পরামর্শ ও যাচাই-বাছাইয়ের প্রয়োজনীয়তার কথা বিলেই উল্লেখ করা হয়েছে।


