এদিকে ইরাক ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আদনান দিরজাল জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে বলেন, ‘এটি এমন একটি ম্যাচ, যার ওপর পুরো জাতির স্বপ্ন নির্ভর করছে।’
বিশ্ব খেলোয়াড় ইউনিয়ন ফিফপ্রো জোর দিয়ে বলেছে, খেলোয়াড়দের নিরাপত্তাই সবার আগে। এশিয়া ও ওশেনিয়া অঞ্চলের সভাপতি বো বুশ বলেন, ‘বর্তমান পরিস্থিতিতে ব্যবস্থা কিছুটা কঠোর মনে হলেও খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সম্ভাব্য সব পদক্ষেপ নিতে হবে। এই মুহূর্তে এটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।’
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কারণে ইরাক লিগের সূচিও বিঘ্নিত হয়েছে। দলের গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তারা ও দোভাষীরাও দেশ ছাড়তে পারছেন না। আরনল্ড সতর্ক করে বলেন, ‘আমাদের সেরা খেলোয়াড়দের ছাড়া আমরা প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে পারব না। দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের জন্য সেরা দল গঠন করা অত্যন্ত জরুরি।’


