গাজা যুদ্ধবিরতির প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপের মাঝামাঝি এসে কূটনৈতিক অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। এ অবস্থায় ইসরায়েল বা হামাস—কেউই নিজেদের অবস্থান বদলাতে রাজি নয়।
আজ রোববার হামাসের সামরিক শাখা আল–কাসাম ব্রিগেড এক বিবৃতিতে বলেছে, শত্রুর কাছে ঘেরাও হওয়া বা আত্মসমর্পণ বলে কোনো শব্দ তাদের কাছে নেই। যুদ্ধবিরতি টিকিয়ে রাখতে মধ্যস্থতাকারীদেরই সমাধানের পথ খুঁজে বের করতে হবে।
ইতিমধ্যে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী ভূগর্ভস্থ এসব কক্ষে অভিযান চালাচ্ছে। গত বুধবার কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দুবার আইডিএফ জানায়, তারা ‘ভূগর্ভস্থ অবকাঠামো ধ্বংসের’ অভিযানে গিয়ে ইসরায়েল-অধিকৃত এলাকায় ‘চারজন সশস্ত্র যোদ্ধাকে’ শনাক্ত করে এবং গুলি চালায়।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর দাবি, এসব অভিযান যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত যুদ্ধবিরতি চুক্তির সঙ্গে সংগতিপূর্ণ। চুক্তিতে গাজার সামরিক ও সুড়ঙ্গ অবকাঠামো ধ্বংসের অনুমতি রয়েছে। কিন্তু হামাসের মতে, এটি যুক্তরাষ্ট্রের ২০ দফা শান্তি পরিকল্পনার স্পষ্ট লঙ্ঘন।
নেতানিয়াহু ইতিমধ্যে ডানপন্থী রাজনৈতিক দলগুলোর চাপের মুখে রয়েছেন। কেউ চাইছেন না এমন কোনো চুক্তি হোক, যা সুড়ঙ্গে থাকা হামাস যোদ্ধাদের নিরাপদে হামাস–নিয়ন্ত্রিত গাজায় ফিরে যাওয়ার সুযোগ দেবে।
ইসরায়েলের সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী আভিগদর লিবারম্যান বলেছেন, ‘যারা যুদ্ধবিরতির পর ইসরায়েলি সেনাদের হত্যা করেছেন, তাঁদের জন্য দুটি পথই খোলা আছে—আত্মসমর্পণ করে কারাগারে যাওয়া অথবা মৃত্যুর মুখোমুখি হওয়া।’



