
ঢাকা, ৯ আগস্ট – ইউটিলিটি বিল পরিশোধ এবং মোবাইল ফোন রিচার্জের জন্য ডিজিটাল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ঋণের সুবিধা চালু করার পরিকল্পনা করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এই বিশেষ সুবিধার আওতায় গ্রাহকরা সর্বনিম্ন ৫০ টাকা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ গ্রহণ করতে পারবেন। খসড়া নীতিমালা অনুযায়ী, ৩০ দিনের মধ্যে এই ঋণ পরিশোধ করলে গ্রাহককে কোনো সুদ প্রদান করতে হবে না।
সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে এ সংক্রান্ত একটি খসড়া নীতিমালা সর্বসাধারণের মতামত ও পরামর্শের জন্য প্রকাশ করা হয়েছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, দেশে নগদবিহীন বা ক্যাশলেস অর্থনীতি গড়ে তুলতে এবং ডিজিটাল আর্থিক সেবার প্রসার ঘটাতে এই উদ্যোগ সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।
সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের দেওয়া মতামত পর্যালোচনার পর চূড়ান্ত নীতিমালা জারি করা হবে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
খসড়া নীতিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, এসব ঋণের ক্ষেত্রে কোনো সুদ প্রযোজ্য হবে না। তবে ব্যাংকগুলো ঋণের পরিমাণের ওপর ভিত্তি করে নির্দিষ্ট হারে সার্ভিস ফি গ্রহণ করতে পারবে। নির্ধারিত ফি অনুযায়ী, ৫০ থেকে ২৫০ টাকা পর্যন্ত ঋণে সর্বোচ্চ ৫ টাকা সার্ভিস ফি নেওয়া হবে। একইভাবে ২৫১ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত ঋণে ১০ টাকা, ৫০১ থেকে ১ হাজার টাকা পর্যন্ত ১৫ টাকা, ১ হাজার থেকে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত ২৫ টাকা, ২ হাজার থেকে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত ৩৫ টাকা এবং ৩ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণে ৫০ টাকা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে। সার্ভিস ফি ব্যতিরেকে ব্যাংকগুলো অন্য কোনো ধরনের সুদ, জরিমানা বা প্রসেসিং ফি আদায় করতে পারবে না।
এছাড়া নির্ধারিত সময়ের আগে ঋণ পরিশোধ করলে কোনো ধরনের অতিরিক্ত চার্জ নেওয়া যাবে না। পুরো ঋণ প্রক্রিয়াটি কাগজের ব্যবহার ছাড়াই ডিজিটাল মাধ্যমে সম্পন্ন হবে।
গ্রাহকদের বায়োমেট্রিক তথ্য যাচাই এবং ডিজিটাল সম্মতির মাধ্যমে এই ঋণ প্রদান করবে ব্যাংকগুলো।
এনএন/ ৯ আগস্ট ২০২৬





