এজাহার সূত্রে জানা গেছে, মেহেদীর কাছ থেকে পাওয়া প্রতিটি সোনার বারের ওজন প্রায় ১০০ গ্রাম। ১০টি সোনার বারের আনুমানিক মূল্য ১ কোটি ১০ লাখ টাকা বলে মামলার এজাহারে বলা হয়েছে।
এজাহারে আরও বলা হয়েছে, গতকাল সকালে হিলি সীমান্ত দিয়ে ভারতে সোনার একটি বড় চালান পাচার হবে—এমন খবর পায় মংলা বিজিবি ক্যাম্প। এ জন্য হিলি সীমান্তের সাতকুড়ি রেলগেট এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানো হয়। এ সময় সেখানে বিরামপুর থেকে হিলিগামী একজন মোটরসাইকেল আরোহীকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করেন বিজিবি সদস্যরা। পরে তাঁর শরীর ও মোটরসাইকেল তল্লাশি করা হয়। এ সময় মোটরসাইকেলের সিটের নিচে বিশেষ কায়দায় রাখা ১০টি সোনার বার পাওয়া যায়।



