মেট্রোরেলের আয়ে ঋণের কিস্তির টাকা উঠছে না

মেট্রোরেলের আয়ে ঋণের কিস্তির টাকা উঠছে না

ডিএমটিসিএল সূত্র জানায়, শুধু বেতন-ভাতা, বিদ্যুৎসহ অন্যান্য খাতে গত অর্থবছরে ১০০ কোটি টাকার বেশি খরচ হয়েছে। আগামী বছর থেকে রক্ষণাবেক্ষণ ও যন্ত্রপাতি ক্রয় নিজেদের করতে হবে। এ ক্ষেত্রে বছরে ব্যয় দ্বিগুণের বেশি হয়ে যাবে। অর্থাৎ মুনাফা কমে যাবে।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক সামছুল হক প্রথম আলোকে বলেন, এমনিতেই ঢাকার মেট্রোরেলের নির্মাণ ব্যয় বেশি হয়েছে। ফলে আশপাশের দেশের তুলনায় ভাড়া বেশি। এর থেকে ভাড়া বৃদ্ধি কঠিন। দিন দিন রক্ষণাবেক্ষণ খরচও বাড়বে। এখন ট্রেনের সংখ্যা ও বেশি সময় চালিয়ে আয় বাড়াতে হবে। অযৌক্তিক খরচ যাতে না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। মেট্রোরেলের স্থাপনা বাণিজ্যিকভাবে ভাড়া দিয়েও কিছুটা আয় বাড়ানো যায়।

অধ্যাপক সামছুল হক বলেন, মেট্রোরেলের লাইন-৬ ঢাকার সবচেয়ে ব্যস্ত এলাকা দিয়ে গেছে। এটি নির্মাণ হয়েছে উড়ালপথে। অন্য লাইনগুলোতে এতটা যাত্রী না–ও হতে পারে। এ ছাড়া পাতালপথে ব্যয়ও বেশি। ফলে নতুন মেট্রোরেল নির্মাণে খরচের বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে। এ ছাড়া বাড়তি আয় কীভাবে করা যায়, সেই বিষয় মাথায় রেখে নকশা করতে হবে।

Scroll to Top