নতুন বছরের ১৯ দিনের মাথায় এসে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেল বাংলা ছবি! একটি নয়, একই দিনে দেশের প্রায় ৯০টি সিনেমা হলে মুক্তি পেল তিন তিনটি ছবি! এরমধ্যে একটি বাংলা ছবি ভারত থেকে আমদানিকৃত, অন্য দুটি দেশীয় প্রযোজনায় নির্মিত!
তবে ভারত থেকে আমদানিকৃত বহুল আলোচিত ছবিটির কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন দেশের গুণী অভিনেতা মোশাররফ করিম! আর এ কারণে ছবিটি আমদানি হলেও বাকি দুটি ছবির মতোই দর্শক নিজের দেশের ছবি বলেই গ্রহণ করছে!
শুধু তাই নয়, দেশী দুই ছবি নিয়ে চোখে পড়েনি প্রচারণা! তবে ভারতীয় বাংলা ছবি ‘হুব্বা’র ক্ষেত্রে ঘটেছে ব্যতিক্রম! দুই সপ্তাহের বেশী সময় ধরে বাংলাদেশে ছবিটির পরিবেশক জাজ মাল্টিমিডিয়া ও অভিনেতা মোশাররফর করিমকে ছবিটি নিয়ে তুমুল ব্যস্ত থাকতে দেখা গেছে। শুধু তাই নয়, ভারতীয় ‘হুব্বা’র নির্মাতা ব্রাত্য বসুও সিনেমাটি দেখার আমন্ত্রণ জানাতে বাংলাদেশে ছুটে এসেছেন!
আর সেটারই যেন ফল পেয়েছে ‘হুব্বা’। মুক্তির প্রথম সপ্তাহেই ছবিটি দেশের ৬৩টি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেল! এমনটাই জানিয়েছে পরিবেশক জাজ মাল্টিমিডিয়া।

অন্যদিকে চয়নিকা চৌধুরী নির্মিত দেশের ছবি ‘কাগজের বউ’-তে পরীমনি, ডিএ তায়েব এবং ইমনের মতো অভিনেতা থাকলেও প্রচারণায় তেমন সাড়া ফেলতে পারেনি। ছবিটি দেশের ৮টি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে।
একইভাবে প্রায় প্রচারণাহীন মুক্তি পেল মেহেদী হাসান পরিচালিত আরেক ছবি ‘শেষ বাজি’। এই সিনেমাটি দেশের ১৯টি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে। ছবিটির প্রচারণায় অভিনেতা সায়মন সাদিককে একাই ছুটতে দেখা গেছে। এমনকি উল্টো এই অভিনেতাকে ছবি সংশ্লিষ্টদের প্রচারণায় অনিহা নিয়েও কথা বলতে দেখা গেছে।
তবে সিনেসমালোচকরা বলছেন, প্রথম সপ্তাহে হল সংখ্যা কম বেশী কোনো বিষয় নয়। কন্টেন্টে জোর থাকলে সবচেয়ে কম হল পাওয়া ছবিটিও পরের সপ্তাহে টিকে থাকবে, এবং ধীরে ধীরে হল সংখ্যাও বাড়বে। এমন নজির নিকট অতীতেই রয়েছে। এখন দেখার বিষয়, নতুন বছরে মুক্তি পাওয়া তিন ছবি থেকে দর্শক কোন ছবিটির উপর আস্থা রাখেন!