ওসি আরও বলেন, পরিবারের সদস্যদের ভাষ্যমতে ইসমত প্রায়ই নিজের মাথা দেয়ালে আঘাত করতেন। একবার নিজের গায়ে আগুন দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, শিশুপুত্রকে হত্যার পর তিনি আত্মঘাতী হয়েছেন। তবে মা-ছেলের মৃত্যুর পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য জয়নাল আবেদীন বলেন, ইসমত আরা ছেলেকে নিয়ে বাবার বাড়ির পাশে একটি ঝুপড়িতে বসবাস করতেন। একসঙ্গে মা ও শিশুপুত্রের মৃত্যু হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে রহস্য তৈরি হয়েছে। এটি আত্মহত্যা নাকি হত্যাকাণ্ড, তা এখনো নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।