মন্ত্রিপরিষদ ও জনপ্রশাসন সচিবের চুক্তির মেয়াদ আরও এক বছর বাড়ল | চ্যানেল আই অনলাইন

এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ

মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব মো. এহছানুল হকই থাকছেন। চুক্তির মেয়াদ শেষে তাদের দুজনের মেয়াদ আরও এক বছর বাড়িয়েছে সরকার। এই দুই সচিবের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের মেয়াদ আজ শেষ হয়েছিল। আগামীকাল মঙ্গলবার থেকে তাদের মেয়াদ আরও এক বছর বাড়ছে।

সোমবার (১৭ আগস্ট) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা ও দক্ষ পরিচালনার কথা বিবেচনায় নিয়ে এই দুই শীর্ষ কর্মকর্তার চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের মেয়াদ পুনরায় বৃদ্ধি করলো সরকার।

২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর থেকে জনপ্রশাসনে বড় ধরনের পরিবর্তন শুরু হয়। ওই বছরের ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা অনেক সচিব ও জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাকে ওএসডি করা হয়, অনেককে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়। একই সঙ্গে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে নতুন কর্মকর্তাদের পদায়ন এবং অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া শুরু হয়। সেই ধারাবাহিকতা এখনো চলছে। গত দুই বছরে কয়েক দফায় সচিব, বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক (ডিসি) এবং বিভিন্ন সংস্থার প্রধানের পদেও বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে।

তবে শুরুতে বিভিন্ন চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল করলেও পরে অন্তর্বর্তী সরকারই সচিবসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেয়। ২০২৪ সালের ১৭ আগস্ট একসঙ্গে ১৯৮২ ব্যাচের ৫ জন সাবেক অতিরিক্ত সচিবকে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়। পরে তাঁদের কয়েকজনের দপ্তরও পরিবর্তন করা হয়।

গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পর বিএনপি সরকার গঠনের ঠিক আগমুহূর্তে প্রশাসনের দুটি শীর্ষ পদে পরিবর্তন আসে। চুক্তিভিত্তিক নিয়োগে থাকা মন্ত্রিপরিষদ সচিব শেখ আবদুর রশীদ ও প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব এম সিরাজ উদ্দিন মিয়া তিন দিনের ব্যবধানে স্বেচ্ছায় দায়িত্ব ছাড়েন। একই সময়ে চুক্তিতে থাকা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব নাসিমুল গনিকে মন্ত্রিপরিষদ সচিব করা হয়। এখন আবার তার চুক্তির মেয়াদ এক বছর বাড়ানো হলো। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব মো. এহছানুল হকের চুক্তির মেয়াদও বাড়ানো হলো। তারা দুজনই বিসিএস ১৯৮২ ব্যাচের কর্মকর্তা।

Scroll to Top