মোটাদাগে আইসিসির সামনে চারটি পথ খোলা।
প্রথমত, বাংলাদেশের ‘দাবি’ মেনে নেওয়া
এ ক্ষেত্রে টুর্নামেন্টের মূল কাঠামো ঠিক রেখেই বাংলাদেশের ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে নিতে পারে আইসিসি। বিশ্বকাপের মূল কর্তৃপক্ষ হিসেবে সংস্থাটির যে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা আছে। বাংলাদেশের অনুরোধ রাখা হলে আইসিসিকে তখন লজিস্টিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে মাথা ঘামাতে হবে। এ ক্ষেত্রেও জটিলতা কম নয়।
বাংলাদেশের সঙ্গে ‘সি’ গ্রুপে আরও ৪টি দল আছে। বাংলাদেশের ম্যাচ শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে নিলে ওই দলগুলোকেও সেখানে যেতে হবে। আবার প্রতিটি দলের সব ম্যাচ তো শ্রীলঙ্কায় হবে না, কারণ প্রতি দিন দুই থেকে তিনটি করে ম্যাচ রাখা হয়েছে। সম্প্রচারের বিষয় এখানে জড়িত।
আর গ্রুপের অন্যান্য দল যদি শুধু বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচের জন্যই শ্রীলঙ্কায় যায়, সে ক্ষেত্রে ভারতের মাটিতে তাদের নিজেদের মধ্যকার ম্যাচের সূচিও জটিল হয়ে উঠবে। ধরা যাক, বাংলাদেশ খেলবে কলম্বোয়। ৯ ফেব্রুয়ারি ইতালি সেখানে বাংলাদেশের সঙ্গে খেলবে। ইউরোপীয় দলটির পরের ম্যাচই ১২ ফেব্রুয়ারি মুম্বাইয়ে। মাঝে যাতায়াত ও প্রস্তুতি মিলিয়ে সময় মাত্র দুই দিন।
সমস্যা শুধু গ্রুপ পর্বেই নয়, প্রভাব পড়বে পুরো টুর্নামেন্টের সূচিতেই। আর বাংলাদেশ যদি সুপার এইটে ওঠে, তাহলে জটিলতা আরও বাড়বে।



