জ্বালানি পরিবহন সহজ ও ব্যয় কমাতে দুই দেশের মধ্যে নির্মাণ করা হয়েছে বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী পাইপলাইন। ভারতীয় অর্থায়নে নির্মিত ১৩০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই পাইপলাইনের কাজ শেষ হয় ২০২২ সালের ১২ ডিসেম্বর। এই পাইপলাইনের মাধ্যমে এখন ডিজেল পরিবহন করা হচ্ছে। পাশাপাশি ২০২৪ সালের মার্চ থেকে ঢাকায় এনআরএলের একটি লিয়াজোঁ অফিসও কার্যক্রম শুরু করেছে।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এনআরএল ভারতের একটি বড় প্রতিষ্ঠান। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে এনআরএলের টার্নওভার ছিল ২৫ হাজার ১৪৭ কোটি টাকা। ভারতের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী প্রথম তিন বছর বছরে দুই লাখ টন, পরের তিন বছর তিন লাখ টন, পরবর্তী চার বছর পাঁচ লাখ টন এবং এরপর প্রতি বছর ১০ লাখ টন করে জ্বালানি তেল বাংলাদেশে সরবরাহের কথা রয়েছে।
এদিকে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে এনআরএল ভারত সরকারের কাছ থেকে ‘নবরত্ন’ মর্যাদা পেলেও প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে পরিবেশদূষণের অভিযোগ রয়েছে। ধনশিরি নদীতে সরাসরি অপরিশোধিত পেট্রোলিয়ামজাত বর্জ্য ফেলার অভিযোগে ভারতের পরিবেশকর্মীরা ক্ষতির আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। এ বিষয়ে ভারতের ন্যাশনাল গ্রিন ট্রাইব্যুনাল চলতি বছরে স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে একটি মামলা গ্রহণ করেছে, যা এখনো বিচারাধীন।


