সরকারি খাল পুনঃখননে ব্যক্তি উদ্যোগকে সম্পৃক্ত করতে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে সরকার।
এতে বলা হয়েছে, খেয়াঘাট বা ব্যক্তি উদ্যোগে সরকারি খাল খননের মাধ্যমে খননকৃত মাটি ও বালি অপসারণের সুযোগ দেওয়া হবে। এতে একদিকে খালের নাব্য ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে, অন্যদিকে স্থানীয় উন্নয়ন কাজেও মাটি ও বালির চাহিদা পূরণ হবে।
পরিপত্রে জানানো হয়, সড়ক নির্মাণ, স্কুল-কলেজ স্থাপন, মাঠ ভরাট, বসতভিটা উন্নয়ন ও ইটভাটাসহ বিভিন্ন কাজে বিপুল পরিমাণ মাটি ও বালির প্রয়োজন হয়।
এই চাহিদাকে কাজে লাগিয়ে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে সরকারি খাল খননে সম্পৃক্ত করা হবে। তবে পুরো কার্যক্রম কঠোর প্রশাসনিক তদারকির আওতায় পরিচালিত হবে।
নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান নিজ ব্যয়ে খাল খনন ও খননকৃত মাটি-বালি অপসারণের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে আবেদন করতে পারবে।
সরকারি নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, খননকারী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান খননকৃত মাটি নিজ প্রয়োজনে ব্যবহার বা বিক্রি করতে পারবে।
এ জন্য সরকার, উপজেলা পরিষদ বা অন্য কোনো সংস্থাকে কোনো প্রকার ফি বা মূল্য পরিশোধ করতে হবে না।





