মাদারীপুর-১ (শিবচর) আসনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সাইদ উদ্দিন আহমাদ হানজালা রিকশা প্রতীকে পেয়েছেন ৬৪ হাজার ৯০৯ ভোট। বিএনপির নাদিরা আক্তার ধানের শীষ প্রতীকে পান ৬৪ হাজার ৫২৪ ভোট। আসনটিতে মোট ভোটার ছিলেন সোয়া তিন লাখের বেশি।
এরপর সবচেয়ে কম ৫৯৪ ভোটের ব্যবধানে জিতেছেন সিরাজগঞ্জ–৪ আসনে জামায়াতের প্রার্থী মো. রফিকুল ইসলাম খান। তাঁর প্রাপ্ত ভোট ১ লাখ ৬১ হাজার ৮৭২। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির এম আকবর আলী পান ১ লাখ ৬১ হাজার ২৭৮ ভোট। এ আসনে ভোটার সংখ্যা পৌনে পাঁচ লাখের বেশি।
কক্সবাজার–৪ আসনে ৯২৯ ভোটের ব্যবধানে জিতেছেন বিএনপির শাহজাহান চৌধুরী। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ২২ হাজার ৯০৯ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন জামায়াতের প্রার্থী নুর আহমদ আনোয়ারী। তিনি পান ১ লাখ ২১ হাজার ৯৮০ ভোট। এই আসনে ভোটার পৌনে চার লাখের বেশি।
চট্টগ্রাম–১৪ আসনে ১ হাজার ২৬ ভোটের ব্যবধানে জিতেছেন বিএনপির জসীম উদ্দীন আহমেদ। তিনি পেয়েছেন ৭৬ হাজার ৪৯৩ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন জামায়াতের নির্বাচনী ঐক্যে থাকা লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) ওমর ফারুক। তিনি পান ৭৫ হাজার ৪৬৭ ভোট। এই আসনে ভোটার ৩ লাখ ১৩ হাজারের বেশি।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া–৫ আসনে ১ হাজার ৬১ ভোটের ব্যবধানে জিতেছেন বিএনপির মো. আবদুল মান্নান। তিনি পেয়েছেন ৮৫ হাজার ৭৬৯ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী নাজমুল হোসেন। তিনি পেয়েছেন ৮৪ হাজার ৭০৮ ভোট। এই আসনে ভোটার প্রায় পৌনে পাঁচ লাখ।



