বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচন হয়েছে ২০২৫ সালে। নির্বাচনে অনিয়ম, কারসাজি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের স্বাধীন তদন্তে ৫ সদস্যের কমিটি গঠন করেছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি)। কমিটি নিয়ে মুখ খুলেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। বলেছেন, বিভিন্ন অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্ত কমিটি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার মিরপুরে সাইকেল বিতরণের এক অনুষ্ঠানে আমিনুল বলেন, ‘বিগত সময়ে, বিগত সরকারের সময়ে ক্রিকেট বোর্ডের নির্বাচনে যেভাবে সরকারের পক্ষ থেকে সরাসরি হস্তক্ষেপ করা হয়েছে, সেটি সকলেই জানেন। সেসময়ে নিজেও এ বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছি বেশ কয়েকবার। আমার দায়িত্ব নেয়ার পর যখন ক্রিকেটের সাথে যারা সংশ্লিষ্ট, ক্লাবগুলো থেকে একটি অভিযোগ এসেছে। বিভিন্ন জেলা পর্যায় থেকেও অভিযোগ আসছে। অভিযোগগুলোকে আমলে নিয়ে আমরা একটি তদন্ত কমিটি করেছি।’
‘কমিটির প্রতিবেদনের জন্য অপেক্ষায় রয়েছি। প্রতিবেদন আসলে যাচাই-বাছাই করে এবং আমি, আইসিসির সাথে কথা বলে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেব। তবে এর আগে এই বিষয়টি নিয়ে আমার মনে হয় যে আর কোন কথা না বলাই ভালো।’
তদন্ত কমিটি নিয়ে আমিনুল আরও বলেছেন, ‘ইতিমধ্যে তদন্ত কমিটিকে একটি নির্দেশনা দেয়া আছে, ক্রীড়া পরিষদের মাধ্যমে বলা হয়েছে যে শতভাগ এই নির্বাচনের সাথে যারা জড়িত ছিলেন যেমন নির্বাচন কমিশন, তাদের সাথে কথা বলবেন। বর্তমান বোর্ডের প্রেসিডেন্ট বা ডিরেক্টর হয়ে এসেছেন, তাদের সাথে কথা বলবেন। ক্রিকেট বোর্ডের সিইও আছেন তার সাথে কথা বলবেন। বিভিন্ন জেলা থেকে ডিসিরা যে কাউন্সিলর পাঠিয়েছেন সেসকল জেলা প্রশাসকদের সাথেও কথা বলার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।’
‘বিভিন্ন সময়ে আমরা দেখেছি যে, জেলা প্রশাসক একবার একটি কাউন্সিলরের চিঠি পাঠিয়েছেন, পরে আবার আরেকটি চিঠির প্রেক্ষিতে সেটিকে পরিবর্তন করে আরেকবার কাউন্সিলর পাঠিয়েছেন। এই যে একটি অভিযোগ, এই যে একটি প্রশ্নবিদ্ধ বিষয় আমাদের সকলেরই নজরে এসেছে। আমার কাছে মনে হয়েছে যে, এই অভিযোগগুলোর একদম নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া উচিত। তদন্ত হওয়ার প্রেক্ষিতে আশা করি সেই প্রতিবেদন আমার কাছে আসার পর যারা এই তদন্ত কমিটির সাথে রয়েছেন তাদের সাথে কথা বলে এবং আইসিসির সাথে কথা বলে পরবর্তী পদক্ষেপ নেব।’





