
টোকিও, ৩০ জুন – বিশ্বকাপের নকআউট পর্বের প্রথম ধাপে ব্রাজিলের কাছে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিতে হয়েছে জাপানকে। তবে মাঠের লড়াইয়ে পরাজিত হলেও বড় ধরনের আর্থিক প্রাপ্তি নিয়ে এবারের আসর শেষ করছে সামুরাই ব্লুরা।
নকআউট পর্বের শেষ ৩২ পর্যন্ত পৌঁছানোর সুবাদে ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার কাছ থেকে ১ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার বা ১১ মিলিয়ন ডলার পুরস্কার পাচ্ছে জাপান। বাংলাদেশি মুদ্রায় এই অর্থের পরিমাণ প্রায় ১৩৫ কোটি টাকারও বেশি। এর বাইরে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী ৪৮টি দলের প্রত্যেককে প্রস্তুতি তহবিল হিসেবে অতিরিক্ত ২৫ লাখ মার্কিন ডলার প্রদান করেছে ফিফা। ফলে সব মিলিয়ে এবারের আসর থেকে জাপানের মোট আর্থিক প্রাপ্তি দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৩৫ লাখ মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ১৬৫ কোটি টাকারও বেশি হয়।
কাতার বিশ্বকাপের তুলনায় এবার জাপানের আয়ের পরিমাণে কিছুটা পার্থক্য দেখা গেছে। ২০২২ সালের বিশ্বকাপে শেষ ষোলোতে উঠে দলটি ১ কোটি ৩০ লাখ ডলার পেয়েছিল। মূলত বিশ্বকাপের পরিধি ৩২ থেকে ৪৮ দলে উন্নীত হওয়ায় এবং নকআউট পর্বে নতুন একটি রাউন্ড যুক্ত হওয়ায় পুরস্কারের অর্থ বেশি সংখ্যক দলের মধ্যে বণ্টন করা হচ্ছে। তবে জাপানি মুদ্রার মান ডলারের বিপরীতে হ্রাস পাওয়ায় স্থানীয় মুদ্রায় হিসাব করলে জাপানের আয়ের ওপর খুব একটা প্রভাব পড়েনি।
এবারের বিশ্বকাপে শুধু অংশগ্রহণকারী দল নয় বরং চ্যাম্পিয়ন দলের জন্যও পুরস্কারের পরিমাণ বাড়িয়েছে ফিফা। আগামী ১৯ জুলাই শিরোপাজয়ী দল পাবে ৫ কোটি মার্কিন ডলার বা ৫০ মিলিয়ন ডলার। কাতার বিশ্বকাপের তুলনায় এটি প্রায় ৮ মিলিয়ন ডলার বেশি।
নতুন ফরম্যাটে ফিফা তাদের পুরস্কারের কাঠামো পুনর্গঠন করায় দলগুলো আর্থিকভাবে আগের চেয়ে বেশি লাভবান হওয়ার সুযোগ পাচ্ছে।
এনএন/ ৩০ জুন ২০২৬






