বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব শুরু | চ্যানেল আই অনলাইন

বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব শুরু | চ্যানেল আই অনলাইন

গাজীপুরে টঙ্গীর তুরাগ তীরে আজ শুক্রবার ৩১ জানুয়ারি থেকে শুরু হল বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব। ইজতেমায় অংশগ্রহণের জন্য গতকাল থেকেই দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে মুসল্লিরা আসতে শুরু করেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আমবয়ানের মধ্য দিয়ে শুরু হয় তাবলিগের শুরায়ে নেজাম বা মাওলানা জোবায়ের অনুসারীদের প্রথম ধাপের ইজতেমার আনুষ্ঠানিকতা।

ইজতেমার এই ৫৮তম আয়োজন জোবায়েরপন্থীদের অধীনে দুই ধাপে আর সাদপন্থীদের অধীনে এক ধাপে অনুষ্ঠিত হবে।

প্রথম পর্ব আজ ৩১ জানুয়ারি শুরু হয়ে ২ ফেব্রুয়ারি আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে। দ্বিতীয় পর্ব শুরু হবে ৩ ফেব্রুয়ারি যা আগামী ৫ ফেব্রুয়ারি আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে। এরপর শুরু হবে ইজতেমার তৃতীয় পর্ব যা ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে। সেখানে অংশগ্রহণ করবেন সাদপন্থীরা।

নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে ড্রোন ইউনিট মোতায়েনসহ অগ্নিনিরাপত্তা ও প্রাথমিক চিকিৎসায় প্রস্তুতি নিয়েছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স। প্রতিটি খিত্তায় ২ জন ফায়ারফাইটার ছাড়াও ২৪ ঘণ্টা সেবা পেতে মোবাইল নম্বর চালুসহ খোলা হয়েছে অস্থায়ী নিয়ন্ত্রণ কক্ষ।

GOVT

পুরো ইজতেমা ময়দানে অগ্নিনিরাপত্তায় প্রস্তুত রাখা হয়েছে ৩৭৪ জনবল। তাদের মধ্যে তাৎক্ষণিক অগ্নিদুর্ঘটনা মোকাবিলায় প্রতিটি খিত্তায় ফায়ার এক্সটিংগুইসার, ফায়ার হুক, ফায়ার বিটারসহ দু’জন করে ফায়ারফাইটার সবসময় দায়িত্ব পালন করবেন।

অগ্নিনিরাপত্তা ও ইজতেমা ময়দান পর্যবেক্ষণে রাখার জন্য বিভিন্ন স্থানে দু’টি ফায়ার নিয়ন্ত্রণ কক্ষ স্থাপন করা হয়েছে। ইজতেমা ময়দানে ফায়ার সার্ভিসের সেবা পেতে ০১৯০১০২০৮৬৫ ও ০২২২৪৪১০০৮২ নম্বরটি ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকবে। অগ্নিনিরাপত্তা প্রদানে ময়দানের বিভিন্ন স্থানে চারটি পানিবাহী গাড়ি, তিনটি অ্যাম্বুলেন্স, ১৪টি পাম্প, ২২০টি ফায়ার এক্সটিংগুইশার, ১৩টি জেনারেটর, ১২৮টি ওয়াকিটকি, ১৫০টি ডেলিভারি হোজ, ১৪টি ব্রাঞ্চ পাইপ প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

এছাড়া নৌ দুর্ঘটনা প্রতিরোধে তুরাগ নদীতে (কামারপাড়া ব্রিজের নিচে) রেসকিউ স্পিড বোট ও ৪ জনের ডুবুরি দল প্রস্তুত রাখা হয়েছে। দ্রুত অগ্নিনির্বাপণে পানি প্রদানের জন্য তুরাগ নদীর তীরে ৬টি, বিভিন্ন রিজার্ভারে ৫টি পাম্প স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া টঙ্গী, উত্তরা ও জয়দেবপুর ফায়ার স্টেশনগুলো ইজতেমাকালীন স্ট্যান্ডবাই রাখা হয়েছে।

Scroll to Top