পিপলকে সেই সময়ের কথা বলতে গিয়ে জানান, বন্ধুরা সবাই বাড়ির কাছাকাছি ছিলেন, আর তিনি ছিলেন অনেক দূরে। মন খারাপ হতো, কান্নাও পেত। সেই পরিস্থিতির মধ্যেই মঞ্চে উঠেছেন, গান শুনিয়েছেন দর্শকদের।
সফরের অভিজ্ঞতা নিয়ে নির্মিত হয়েছে ‘কেটি পেরি: দ্য লাইফটাইমস ট্যুর-লাইভ ফ্রম প্যারিস’। পল ডাগডেল পরিচালিত কনসার্ট চলচ্চিত্রটি গত ২ সেপ্টেম্বর মুক্তি পেয়েছে। এতে রয়েছে ২০২৫ সালের নভেম্বরে প্যারিসের আকোর অ্যারেনায় ধারণ করা তাঁর পরিবেশনা।
যে গানে বদলে যায় ভাগ্য
১৯৮৪ সালের ২৫ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার সান্তা বারবারায় জন্ম কেটি পেরির। তাঁর জন্মনাম ক্যাথেরিন এলিজাবেথ হাডসন। ছোটবেলায় গির্জায় গান গাইতেন। সংগীতজীবনের শুরুতে গসপেল গান করলেও পরে পপসংগীতে মনোযোগ দেন।
২০০৮ সালে ‘আই কিসড আ গার্ল’ তাঁকে আন্তর্জাতিক পরিচিতি এনে দেয়। এরপর ‘হট এন কোল্ড’, ‘ফায়ারওয়ার্ক’, ‘রোর’, ‘ডার্ক হর্স’ ও ‘ক্যালিফোর্নিয়া গার্লস’-এর মতো গান তাঁকে পপসংগীতের অন্যতম জনপ্রিয় তারকা করে তোলে।
২০১০ সালে প্রকাশিত টিনএজ ড্রিম তাঁর সংগীতজীবনের বিশেষ মাইলফলক। অ্যালবামটির পাঁচটি গান যুক্তরাষ্ট্রের বিলবোর্ড হট ১০০ তালিকার শীর্ষে ওঠে। প্রথম নারী শিল্পী হিসেবে এক অ্যালবাম থেকে পাঁচটি গান নিয়ে এই কৃতিত্ব অর্জন করেন কেটি।
ইউনিভার্সাল মিউজিক কানাডার জুন ২০২৬-এর তথ্যানুযায়ী, বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে কেটির গান ১২ হাজার ৫০০ কোটির বেশিবার স্ট্রিম হয়েছে। বিশ্বজুড়ে তাঁর অ্যালবাম বিক্রি হয়েছে সাত কোটির বেশি। যুক্তরাষ্ট্রে তাঁর ছয়টি গান ও টিনএজ ড্রিম অ্যালবাম ডায়মন্ড সনদ পেয়েছে।
বিচ্ছেদের পর জাস্টিন ট্রুডোর প্রেমে কেটি পেরির নতুন জীবন

