সিলেট-১ (মহানগর ও সদর) আসনে বিএনপি চেয়ারপারসনের দুই উপদেষ্টা খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর ও আরিফুল হক চৌধুরী মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন। এখানে মনোনয়ন পেয়েছেন মুক্তাদীর। আরিফুলকে মনোনয়ন দেওয়া হয় সিলেট-৪ (কোম্পানীগঞ্জ, গোয়াইনঘাট ও জৈন্তাপুর) আসনে।
স্থানীয় বিএনপির নেতা-কর্মীরা মনে করেন, দুইবারের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর সদরে শক্ত অবস্থান। তিনি এখানে প্রার্থী হলে অনায়াসে বিএনপি জিতে যেত। কিন্তু তাঁকে যেখানে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে, সেটি তার জন্য নতুন। সিলেট-৪ আসনকে জামায়াতের জন্যও সম্ভাবনাময় হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ফলে আরিফুল হককে কঠিন লড়াইয়ে পড়তে হচ্ছে।
সিলেট বিএনপির সূত্র বলছে, সিলেট সদরে আরিফুল হক মনোনয়ন না পাওয়ায় তাঁর সমর্থকেরা হতাশ, ক্ষুব্ধ। অবশ্য দল ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতারা মুক্তাদীরের পক্ষে মাঠে তৎপর আছেন। যদিও আরিফুল ঘরানার লোকজন মুক্তাদীরের পক্ষে খোলা মনে কাজ করবেন কি না, সেই আশঙ্কা অনেকেরই।
আম্বরখানা বড় বাজার এলাকায় একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করা মনির আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, সিলেট সদর আসনে আরিফুল হকের জনপ্রিয়তা বিপুল। তিনি এখানে ভোট করলে জয় পেতে বেগ পেতে হতো না। কিন্তু আবদুল মুক্তাদীরকে ভালোই প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পড়তে হচ্ছে।



