পরে দীপ্তি নিজের মতো করে পথ খুঁজে নেন। গ্যারেজে বসে ছবি আঁকতেন, প্রবন্ধ লিখে নিজের আবেগ ও হতাশা প্রকাশ করতেন। এই সময়ে তিনি বুঝতে পারেন, ব্যর্থতার অনুভূতি শিল্পীর জন্য মূল্যবান। দীপ্তি ও প্রকাশ ঝা ১৯৮৮ সালে দিশা নাভালকে দত্তক নেন। আজও তারা বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখেছেন। বিবিসি নিউজ হিন্দিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দীপ্তি জানান, ‘কমলা’, ‘আনকাহি’ এবং তাঁর পরিচালিত প্রথম ছবি ‘হিপ হিপ হুররে’র সময় থেকেই প্রকাশের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক শুরু হয়। সেই সময়ের বলিউডের মানসিকতা নিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি যখন বিয়ে করি, তখনো বলিউডে প্রচলিত ধারণা ছিল যে নায়িকা বিয়ে করলে তাঁর ক্যারিয়ার শেষ হয়ে যাবে। যেন দোকান গুটিয়ে নিতে হবে। সবাই ধরে নিত যে বিয়ে হয়ে গেলে অভিনেত্রীর আর কাজ করার আগ্রহ থাকে না, ফলে ধীরে ধীরে কাজের প্রস্তাব আসা বন্ধ হয়ে যেত।’
দীপ্তি মনে করেন, তারকাদের জন্য মানসিক স্বাস্থ্যের সমস্যার মোকাবিলা করা আরও কঠিন, কারণ তাঁরা সব সময় জনসমক্ষে থাকেন এবং মানুষের কড়া নজরদারির শিকার হন। তাঁর কথায়, ‘আপনি যখন জীবনের সবচেয়ে খারাপ সময়ে থাকবেন, তখন নিজেকেই সেই গভীর গর্ত থেকে টেনে তুলতে হবে। একজন সেলিব্রিটি হিসেবে আমি সব সময় সচেতন ছিলাম। মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য সাহায্য নিচ্ছি, এই খবর বাইরে গেলে মানুষ কী ভাববে? তাই আমি স্থির করেছিলাম, নিজের জোরে এই অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসব।’



