বাংলাদেশের নির্বাচনের পর ভারতের বিপক্ষে খেলতে চাইবে পাকিস্তান: চেতন শর্মা | চ্যানেল আই অনলাইন

বাংলাদেশের নির্বাচনের পর ভারতের বিপক্ষে খেলতে চাইবে পাকিস্তান: চেতন শর্মা | চ্যানেল আই অনলাইন

শনিবার ভারত-শ্রীলঙ্কায় পর্দা উঠছে টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের। নিরাপত্তাজনিত কারণে ভারতে যাচ্ছে না বাংলাদেশ, বিকল্প দলও নিয়েছে আইসিসি। প্রতিবাদে পাকিস্তান সঙ্গ দিয়েছে বাংলাদেশকে, বয়কট করেছে ভারতের বিপক্ষে গ্রুপপর্বের ম্যাচ। ভারতের সাবেক ক্রিকেটার ও রাজনীতিবিদ চেতন শর্মা অবশ্য বলছেন, বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচনের পর পাকিস্তান ঠিকই মত বদলাবে। তার মতে, পাকিস্তান এখানে রাজনৈতিক পদক্ষেপ নিয়েছে।

আগামী ১২ তারিখে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। অন্যদিকে বিশ্বকাপে ‘এ’ গ্রুপে ১৫ তারিখ কলম্বোতে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ হওয়ার কথা পাকিস্তানের। চেতন শর্মার মতে নির্বাচনকে কেন্দ্র করেই পাকিস্তান এ ধরনের কর্মকাণ্ড করছে।

চেতন বলেছেন, ‘বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের দোষ কী? একদমই নেই। এটা পুরোপুরি রাজনীতি। বাংলাদেশের নির্বাচন ১২ তারিখে। নির্বাচনের পর ইউ-টার্ন দেখবেন। একটি বিবৃতি আসবে (পিসিবি থেকে) যে, জনগণের অনুভূতির কথা বিবেচনা করে, ক্রিকেটের ক্ষতি হওয়া উচিত নয়, পাকিস্তান ভারতের বিরুদ্ধে খেলবে। এখনকার অবস্থানটা আসলে শুধু বাংলাদেশের নির্বাচনকে ঘিরেই।’

‘আমি নিজে একজন রাজনীতিবিদ ছিলাম। নির্বাচনেও অংশ নিয়েছি। নির্বাচনের পর সেনাপ্রধান বলবেন, খেলাধুলাকে রাজনীতির বাইরে রাখা উচিত এবং ম্যাচটি হওয়া উচিত।’

আইসিসি নিশ্চিত করেছে পিসিবির পক্ষ থেকে বয়কট অবস্থান নিয়ে তারা এখনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি পায়নি। চেতন ব্যাখ্যা করেছেন, আনুষ্ঠানিকভাবে আইসিসিকে জানানো না হলে এসব ‘বিবৃতি’র কোন মূল্য নেই।

‘এই মুহূর্তে পাকিস্তান আইসিসিকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছুই জানায়নি। অফিসিয়ালি নিশ্চিতকরণ ছাড়া বিবৃতির কোন মানে নেই। যেকেউ অবসর ঘোষণা করতে পারে, কিন্তু আনুষ্ঠানিকভাবে জমা না দিলে কিছুই বদলায় না। আসলে এখানে কে ভুগছে? ক্রিকেট, আর ক্রিকেটাররাই।’

এদিকে পাকিস্তানের কাছে ম্যাচ বর্জন না করার আহ্বান জানিয়েছে শ্রীলঙ্কা। কারণ হিসেবে বলেছে আর্থিক লোকসানের বিষয়টি। বৃহস্পতিবার পিসিবির কাছে চিঠি পাঠিয়েছে সহ-আয়োজক দেশটি। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ভারত-পাকিস্তান হাইভোল্টেজ ম্যাচ আয়োজনের ব্যাপারে শ্রীলঙ্কার গভীর আগ্রহ। ম্যাচটির জন্য সবধরনের বাণিজ্যিক, পরিচালনাগত, লজিস্টিক, আতিথেয়তা, পরিকল্পনা ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। টিকিটের বিপুল চাহিদার কথা তুলে ধরা হয়েছে, যা অভূতপূর্ব, জনস্বার্থ এবং উল্লেখযোগ্য বাণিজ্যিক প্রত্যাশার প্রতিফলন।

Scroll to Top