রাতে গড়াবে এবারের বিশ্বকাপে অন্যতম দুই শক্তিশালী দলের লড়াই। ইউরো জায়ান্ট ফ্রান্স এবং স্পেন মুখোমুখি হবে আসরের প্রথম সেমিফাইনালে। অপরাজিত থেকে শেষ চারে এসেছে দুদলই। মহারণের আগে দেখে নেয়া যাক পরিসংখ্যানের খতিয়ান।
টেক্সাসের এটি অ্যান্ড টি স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় মুখোমুখি হবে দুবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স এবং একবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন।
আসরে এপর্যন্ত ৬ ম্যাচ খেলে ৬টিতেই জিতছে ফরাসিরা। তারা ১৬ গোল করেছে, বিপরীতে হজম করেছে ৩ গোল। অন্যদিকে, স্পেন ৬ ম্যাচে ৫ জয় ও ১ ম্যাচ ড্র করেছে। ১০ গোল করে কেবল ১টি হজম করেছে লা রোজারা। লে ব্লুজদের আক্রমণভাগ যতটা ভায়বহ, ততটাই পোক্ত যেন স্প্যানিয়ার্ডদের রক্ষণভাগ।
এর আগে দুদলের ৩৮ দেখায় ১৩ জয় ফরাসিদের এবং স্পেন জিতেছে ১৮টিতে। ড্র হয়েছে ৭ ম্যাচ। দুদলের সবশেষ দেখায় স্পেনের জয় ৩টি, ফান্সের জয় ২টি। বিশ্বকাপে একবারই দেখা হয়েছিল দুদেশের। ২০০৬ সালে রাউন্ড অব ষোলোর ম্যাচে ফ্র্যাংক রিবেরি, প্যাট্রিক ভিয়েরা ও জিনেদিন জিদানের গোলে ৩-১ ব্যবধানে জিতেছিল ফ্রান্স।
দুদলের সব শেষ দুটি দেখা ছিল দুই সেমিফাইনাল। ২০২৪ সালে ইউরোয়, আর ২০২৫ সালের উয়েফা নেশনস লিগে। সেখানে শতভাগ সফল স্পেন। ইউরোতে ২-১ এবং নেশনস লিগে ৫-৪ গোলে জয় পেয়েছিল লা রোজারা।
ফিফার সবশেষ র্যাঙ্কিংয়ে এগিয়ে ফ্রান্স, শীর্ষে আছে। চলতি বিশ্বকাপে অন্যতম শিরোপা প্রত্যাশীও তারা। দলের অন্যতম তারকা কাইলিয়ান এমবাপে ইতিমধ্যে ৮ গোল ও ৩ অ্যাসিস্ট করে গোল্ডেন বুটের দৌড়ে আছেন। আছেন উসমানে ডেম্বেলে, মাইকেল ওলিসে ও ব্র্যাডলি বারকোলার মতো আক্রমণভাগের তারকা।
ফিফার র্যাঙ্কিংয়ে তিনে আছে স্পেন। তাদের বড় শক্তি রক্ষণভাগ এবং মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ। রদ্রি, পেদ্রি ও দানি ওলমো মাঝমাঠে যেকোনো প্রতিপক্ষকে বল পজেশনে কোণঠাসা করতে সক্ষম। ডানপ্রান্তে লামিন ইয়ামালের গতি ও স্কিল প্রতিপক্ষ ডিফেন্সের জন্য বড় হুমকি।
দুদলের দুই বড় তারকা ক্লাব পর্যায়ে রিয়াল মাদ্রিদে খেলেন কাইলিয়ান এমবাপে এবং বার্সেলোনায় লামিন ইয়ামাল। দুই ফরোয়ার্ড এপর্যন্ত ক্লাব ও জাতীয় দলের হয়ে পাঁচবার নকআউট ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছেন। সবকটি জিতেছেন লামিন। এরমধ্যে রয়েছে ২০২৪ সালের ইউরো সেমিফাইনাল, ২০২৫ সালের সুপারকোপা ফাইনাল, কোপা ডেল রে ফাইনাল, নেশনস লিগ সেমিফাইনাল এবং সবশেষ সুপারকোপা ফাইনাল।




