জানতে চাইলে সুজন বড়ুয়া বলেন, ‘আমি গতকাল সকালে ঘর থেকে চলে যাই। রাত পৌনে ১১টার সময় ঘরে ফোন করলে কেউ ফোন ধরেনি। ওই সময় পাশের ঘর থেকে ফোনে শুধু জানানো হয় স্ত্রী সন্তানের ওপর হামলার কথা। সঙ্গে সঙ্গে আমি চট্টগ্রাম শহর থেকে চলে আসি। ঘরে এসে দেখি দুজনের লাশ।’
সুজন বড়ুয়া আরও বলেন, ‘মারা যাওয়ার আগে আমার স্ত্রী তেজ বড়ুয়ার নাম বলে গেছে। এই ভিডিও প্রতিবেশীদের কাছে আছে। তেজের সঙ্গে আমার শত্রুতা ছিল না। তিনি বেকার থাকায় গাড়ি কেনার জন্য আমার কাছ থেকে বিভিন্ন সময় টাকা নেন। এসব টাকার বিপরীতে আমি স্ট্যাম্প নেই। হয়তো এসব স্ট্যাম্প হাতিয়ে নিতে গিয়ে ঘরে আমার স্ত্রী সন্তানকে খুন করেছেন তিনি।’
ঘটনার পর থেকে তেজ বড়ুয়া এলাকা ছেড়ে গা ঢাকা দিয়েছেন। তাঁর মুঠোফোনও বন্ধ পাওয়া যায়। এ কারণে অভিযোগ সম্পর্কে তাঁর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সুজন বড়ুয়ার বড় ভাই রঞ্জন বড়ুয়া বলেন, ‘আমি টেলিফোনে খবর পেয়ে রাত দুইটার সময় ঘরে আসি। ঘরে এসে শুনতে পাই তেজ বড়ুয়া আমার ভাইয়ের বউ ও তার মেয়েকে মেরে ফেলেছে। মারা যাওয়ার আগে এনি বড়ুয়া এমন বক্তব্য দিয়েছে বলে আমরা শুনেছি। আমরা এ ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করি।’
আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জুনায়েত চৌধুরী বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে আমরা পাওনা টাকা নিয়ে সুজন বড়ুয়ার সঙ্গে তেজ বড়ুয়ার বিরোধের বিষয়টি সামনে এনে তদন্ত শুরু করেছি। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।’



