Last Updated:
গল্পটি আমাদের লন্ডন থেকে চণ্ডীগড়ে নিয়ে যায়, যেখানে রকুল অর্থাৎ আয়েষা বাড়ি ফিরে আসে, কারণ এটিই তার জন্য ৫১ বছর বয়সী প্রেমিকের কথা বাবা-মাকে বলার একটি নিখুঁত সুযোগ।

অজয় দেবগন এবং রকুল প্রীত সিংয়ের দে দে পেয়ার দে ছবি মুক্তি পেয়েছে সম্প্রতি। ছবিটি শুরু হয় জাভেদ জাফেরির একটি হাস্যরসাত্মক ফ্ল্যাশব্যাক দিয়ে। এরপর গল্পটি আমাদের লন্ডন থেকে চণ্ডীগড়ে নিয়ে যায়, যেখানে রকুল অর্থাৎ আয়েষা বাড়ি ফিরে আসে, কারণ এটিই তার জন্য ৫১ বছর বয়সী প্রেমিকের কথা বাবা-মাকে বলার একটি নিখুঁত সুযোগ।
এরপর আমাদের আর মাধবন এবং গৌতমী কাপুরের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়, যাঁরা আয়েশার শিক্ষিত, প্রগতিশীল এবং আধুনিক বাবা-মা। আর মাধবন এমন একজন বাবার চরিত্রে অভিনয় করেন, যিনি তাঁর সন্তানদের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রাখতে চান। তিনি একজন স্নেহশীল পিতা, একজন প্রেমময় স্বামী। জাভেদ জাফেরির মতো আর মাধবন প্রতিটি ফ্রেমে অনবদ্য। সরাসরি কমেডি দৃশ্য হোক বা একটি আবেগঘন দৃশ্য, মাধবন আমাদের তাঁর দুর্দান্ত অভিনয়ের কথা সব সময়েই মনে করিয়ে দেন। গৌতমী কাপুর তাঁকে নিখুঁতভাবে সঙ্গ দেন। তাঁদের জুটি অজয় দেবগন এবং রকুল প্রীত সিংয়ের চেয়েও ভাল।
তাঁদের আধুনিকতা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে যখন তাঁরা জানতে পারেন যে তাঁদের মেয়ে তাঁদের থেকে মাত্র দুই বছরের ছোট একজনকে বিয়ে করতে চায়। তাঁরা বহু পুরনো দ্বিধায় পড়ে যান- লোকে কী বলবে? এর পর বাবা এবং মেয়ের মধ্যে এক হাস্যরসাত্মক লড়াই শুরু হয়। অজয় দেবগন ঠিকঠাক। ২০১৯ সালে যখন দে দে পেয়ার দে মুক্তি পায়, তখন এটি বেশিরভাগ মানুষকে মুগ্ধ করেছিল। দে দে পেয়ার দে ২ শুরুতে আশার আলো দেখালেও শেষ পর্যন্ত ছবিটি অসম্পূর্ণ স্ক্রিপ্টের কাছে হার মেনে নেয়। জাভেদ ও মাধবনের রসিক অভিনয়ের জন্য ছবিটি একবার দেখা যেতে পারে।
Kolkata [Calcutta],Kolkata,West Bengal
November 14, 2025 6:54 PM IST



