সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের হওয়ার পর সেই মামলার শুনানি শেষ হয় গত ১০ ফেব্রুয়ারি। যদিও এই নিয়োগ নিয়ে সুপ্রিম কোট সংশয় প্রকাশ করে বলছিলেন, ওই নিয়োগে ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে। শুধু তা–ই নয়, তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রীর হেফাজত থেকে ৫০ কোটি নগদ টাকা উদ্ধার হয়েছিল।
সেদিন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেছিলেন, ‘আমরা প্রকৃত চাকরিহারাদের পাশে আছি। তাদের আইনি সহায়তা দিতে প্রস্তুত।’
অবশ্য এসএসসির চেয়ারম্যান সিদ্ধার্থ মজুমদার বলেছিলেন, ‘আগে অবৈধভাবে যাঁদের চাকরি দেওয়া হয়েছিল, আমরা সিবিআইয়ের তদন্তের পর তাঁদের একটি তালিকা পাই। সেই তালিকায় অবৈধ চাকরিপ্রাপ্তের সংখ্যা ছিল ৫ হাজার। অথচ চাকরি গেল যোগ্য প্রার্থীসহ ২৫ হাজার ৭৫২ জনের। তাই, আমরা এই রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আপিল করছি।’



