পরিবেশ সংরক্ষণ ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় জনসচেতনতা তৈরিতে কাজ করছে গ্রিন কনসার্নস ফাউন্ডেশন। এরই অংশ হিসেবে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে ফাউন্ডেশনের গ্রিনবার্তার বিশেষ সংখ্যা প্রকাশিত হয়েছে।
বুধবার (১২ আগস্ট) বিকালে রাজধানীর কাকরাইলের পাইওনিয়ার রোডে ফাউন্ডেশনের কার্যালয়ে এটির মোড়ক উন্মোচন হয়েছে।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে পরিবেশ বিপর্যয়ের সম্মুখীন। এই বিপর্যয়ের বিপরীতে দাঁড়িয়ে সবাইকে কাজ করতে হবে। যদিও কাজটা সহজ নয়, চ্যালেঞ্জের। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলাই গ্রিন কনসার্নস ফাউন্ডেশনের লক্ষ্য। আমরা সে লক্ষে এগিয়ে যেতে চাই।
অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে গ্রিন কনসার্নস ফাউন্ডেশনের সভাপতি ও বিশিষ্ট আইনজীবী মো. মজিবুর রহমান বলেন, পরিবেশ সংরক্ষণ ও জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় তরুণ সমাজকে সচেতন করা সময়ের দাবি। ‘গ্রিনবার্তা’ শুধু একটি প্রকাশনা নয়, এটি একটি বাসযোগ্য ও সবুজ পৃথিবী গড়ার অঙ্গীকার। পরিবেশবান্ধব জীবনযাপন ও টেকসই উন্নয়নের বিষয়গুলো সাধারণ মানুষের কাছে সহজভাবে তুলে ধরতে ম্যাগাজিনটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
ফাউন্ডেশনের সেক্রেটারি ও ‘গ্রিনবার্তা’র সম্পাদক রণজিৎ সরকার বলেন, দীর্ঘদিনের পরিশ্রম, গবেষণা ও পরিবেশের প্রতি দায়বদ্ধতার ফসল ‘গ্রিনবার্তা’। পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধি, বৃক্ষরোপণে উৎসাহ, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করা এবং পরিবেশবান্ধব ও সবুজ প্রযুক্তির ধারণা সাধারণ মানুষের কাছে তুলে ধরাই এর অন্যতম লক্ষ্য।
তিনি বলেন, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে পরিবেশ রক্ষার কাজে সম্পৃক্ত করতে ‘গ্রিনবার্তা’ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। টেকসই উন্নয়ন ও সবুজ ভবিষ্যৎ নির্মাণে জনসম্পৃক্ততা বাড়াতে গ্রিন কনসার্নস ফাউন্ডেশন ধারাবাহিকভাবে কাজ করবে।
এছাড়াও বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্ট, অ্যাডভোকেট এ এফ এম আশাদুজ্জামান, অ্যাডভোকেট নীলাঞ্জনা রিফাত ( সুরভী), ফাউন্ডেশনের ভাইস-প্রেসিডেন্ট মো. আকবর আলী, কোষাধ্যক্ষ সাইদুর রহমান, অ্যাডভোকেট ফখরুল বাহার সাকি, কবি গিরীশ গৈরিক, কবি সৌম্য সালেক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

