নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিশেষ উদ্যোগ নিতে হবে

নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিশেষ উদ্যোগ নিতে হবে

প্রশ্ন হচ্ছে, স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরে এসেও নির্বাচন এলেই সংখ্যালঘুদের কেন ভয় ও আতঙ্কে থাকতে হবে? বর্তমানে দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৯ দশমিক ৬ শতাংশ সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের। সম্প্রতি সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজের (সিজিএস) আলোচনায় উঠে এসেছে, এবার প্রায় ৮০টি আসনে ভোটের ফলাফলে সংখ্যালঘু ভোটাররা প্রভাব রাখতে পারেন। বাস্তবতা হচ্ছে, রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচনী ইশতেহার ও কর্মসূচিতে সংখ্যালঘুদের ইস্যুগুলোকে যথাযথ গুরুত্ব দেয় না। নির্বাচনের সময় অনেক দল তাদের ভোটব্যাংক হিসেবে বিবেচনা করে, কিন্তু তাদের নিরাপত্তা, অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিতে দৃশ্যমান ও দায়িত্বশীল উদ্যোগ নিতে দেখা যায় না।

রাজনৈতিক দলগুলো গণতন্ত্র ও অন্তর্ভুক্তির কথা বললেও বাস্তবে সংসদ নির্বাচনের প্রার্থী তালিকার দিকে তাকালে তার বিপরীত চিত্র দেখা যায়। এবারের নির্বাচনে প্রায় দুই হাজার প্রার্থীর মধ্যে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রার্থী মাত্র ৮০ জন; এর মধ্যে ১২ জন প্রার্থী স্বতন্ত্র। ২২টি রাজনৈতিক দল সংখ্যালঘু সম্প্রদায় থেকে প্রার্থী দিয়েছে। এর মধ্যে সিপিবি ১৭ জনকে প্রার্থী করেছে, বিএনপি দিয়েছে ৬ জনকে ও জামায়াতে ইসলামী ১ জনকে প্রার্থী করেছে।

Scroll to Top