বর্তমানে যে কাঠামোতে ঋণ মূল্যায়ন করা হচ্ছে, তা ২০০৫ সালে চালু করা হয়। জুলাইয়ে শেষ হওয়া পর্যালোচনায় দেখা গেছে, এই কাঠামো দিয়ে আগেভাগে কার্যকরভাবে ঋণসংকট শনাক্ত করা সম্ভব ছিল।
তবে এর কিছু সীমাবদ্ধতাও ধরা পড়েছে। যেমন অনেক নিম্ন আয়ের দেশে ঋণ বেড়েছে; একই সঙ্গে ঋণের উৎসেও পরিবর্তন এসেছে। এখন এসব দেশ অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক উৎস থেকে বেশি ঋণ নিচ্ছে। ঋণের একটি অংশ বাণিজ্যিক শর্তে নেওয়া হচ্ছে।
আইএমএফ বলেছে, স্বল্প ও মধ্যমেয়াদি অর্থনৈতিক পূর্বাভাস সাধারণত নির্ভরযোগ্য হয়ে থাকে। তবে দীর্ঘমেয়াদে রপ্তানি ও রাজস্বের পূর্বাভাসে আশাবাদ কিছুটা বেশি দেখা গেছে। রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানগুলোর ঋণ ও আর্থিক তথ্যেও ঘাটতি আছে।
নতুন কাঠামোয় দীর্ঘমেয়াদি ঝুঁকি বিশ্লেষণের আলাদা মডিউল থাকবে। আরও পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে ঝুঁকি পরিমাপ করা হবে। তবে নতুন পদ্ধতিতে কোনো দেশের ঋণ কীভাবে টেকসই নয় বলে বিবেচনা করা হবে, সেই মডেল এখনই প্রকাশ করা হচ্ছে না। নতুন পদ্ধতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে সময় দিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।