মাধবদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কামাল হোসেন বলেন, ওই নারী ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করার পর পুলিশ হৃদয় (৩০) নামের একজনকে গ্রেপ্তার করেছে। তিনি ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। এ ঘটনায় জড়িত অন্য আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। ভুক্তভোগী নারীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার বিকেলে ঈদের কাপড় কিনতে মেয়েকে নিয়ে ওই নারী নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে যান। সেখানে কেনাকাটা শেষে মেয়েকে বাড়ি পাঠিয়ে দেন। পরে তিনি মুঠোফোনে পরিচিত এক ব্যক্তির সঙ্গে দেখা করতে যান মাধবদীরই একটি গ্রামে। ওই ব্যক্তি ‘বউ বিদেশে আছে’ জানিয়ে ওই নারীকে বিয়ের প্রস্তাব দেন। এতে রাজি না হওয়ায় ওই ব্যক্তি তাঁকে রাস্তা থেকে টেনে একটি পুকুরপাড়ে নিয়ে যান। পরে তিনিসহ আরও তিনজন ধর্ষণ করেন। ধর্ষকেরা ওই নারীর মুঠোফোন ও সঙ্গে থাকা টাকাপয়সাও ছিনিয়ে নেন বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।



