নতুন চাঁদ দেখার সুন্নাহ আমল

নতুন চাঁদ দেখার সুন্নাহ আমল

নিরাপত্তা ও শান্তি: দুনিয়াবি জীবনে নানামুখী বিপদ-আপদ, রোগ-বালাই ও দুর্ঘটনা থেকে বেঁচে থাকার জন্য আল্লাহর দেওয়া ‘সালামত’ বা নিরাপত্তা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন।

ইসলামের ওপর অবিচলতা: কেবল মুখে মুসলিম দাবি করাই যথেষ্ট নয়, বরং দৈনন্দিন জীবনে ইসলামের বিধান ও বিধি-নিষেধ মেনে চলা এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করাই মূল লক্ষ্য।

তাওহিদের ঘোষণা: দোয়ার শেষ অংশটি অত্যন্ত চমৎকার ও ঈর্ষণীয়—‘আমার ও তোমার প্রতিপালক একমাত্র আল্লাহ’। এর মাধ্যমে মুমিন চাঁদের দিকে তাকিয়ে বিশ্বজগতের স্রষ্টাকে স্মরণ করে। প্রাচীনকালের অনেক জাতি চাঁদ ও সূর্যের পূজা করত। কিন্তু একজন মুসলমান চাঁদের দিকে তাকিয়ে ঘোষণা করে যে, হে চাঁদ, তুমিও আল্লাহর এক সাধারণ সৃষ্টি, তোমার নিজস্ব কোনো ক্ষমতা নেই। তোমার স্রষ্টা যিনি, আমার স্রষ্টাও তিনি।

শেষ কথা

রাসুল (সা.) চাঁদ দেখার ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য সাক্ষ্য প্রমাণের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন এবং মুসলমানদের ধর্মীয় উৎসবগুলোতে ঐক্যবদ্ধ থাকার তাগিদ দিয়েছেন। (সহিহ বুখারি, হাদিস: ১৯০৯)

আধুনিক যুগে আমরা অনেকেই প্রযুক্তির ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ায় হিজরি কত তারিখ বা আজ কী মাস, তার খবর রাখার প্রয়োজন বোধ করি না। মনে রাখতে হবে, হিজরি মাসের হিসাব রাখা এবং প্রতি মাসের শুরুতে নতুন চাঁদ অনুসন্ধান করা একটি সুন্নাহ ইবাদত।

Scroll to Top