জাপানের আইচি-নাগোয়ায় অক্টোবরে বসছে এশিয়ান প্যারা গেমস ২০২৬ আসর। এর জন্য ন্যাশনাল প্যারালিম্পিক কমিটি অব বাংলাদেশ (এনপিসি) ঢাকার জাতীয় স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ জাতীয় দলের জন্য প্রশিক্ষণ ক্যাম্পের উদ্বোধন করেছে। অনুষ্ঠানে এসে নতুন কুঁড়ির আদলে প্যারা স্পোর্টসের আয়োজন করতে বলেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।
এশিয়ান প্যারা গেমসের প্রশিক্ষণ উদ্বোধন করে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল বলেন, ‘নতুন কুঁড়ির আদলে দেশের জাতীয় খেলোয়াড়দের নিয়ে একটি আন্তর্জাতিক প্যারা স্পোর্টসের আয়োজন করুন। আপনাদের সবধরনের সুযোগ-সুবিধা দেয়া হবে। বিনিময়ে আমাদের পদক এনে দিতে হবে।’
জাতীয় প্রশিক্ষণ ক্যাম্পের উদ্বোধন ও সার্বিক আয়োজন নিয়ে ন্যাশনাল প্যারালিম্পিক কমিটি অব বাংলাদেশের মহাসচিব ড. মারুফ আহমেদ মৃদুল বলেছেন, ‘আমাদের প্রথম যে ‘বাংলাদেশ প্যারা গেমস’ হয়েছে তার মাধ্যমে বাছাই ও অন্যান্য প্রক্রিয়া শেষ করেছি। এটা গত দুমাস আগে করেছি। প্রতিযোগিতায় যারা প্রথম, দ্বিতীয় হয়েছে বা যারা র্যাঙ্কিংভুক্ত হওয়ার মতো আছে তাদের নেয়া হয়েছে। আইপিসির র্যাঙ্কিংভুক্ত তাদের নির্বাচন করা হয়েছে।’
’জাতীয় পর্যায়ে বাছাই হয়েছে, তাছাড়া আইপিসি বা এপিসির মতো যে বড় বড় গেমস, যেমন— এশিয়ান প্যারা গেমস, ওয়ার্ল্ড প্যারা গেমস, এগুলোতে আন্তর্জাতিক র্যাঙ্কিং প্রক্রিয়ার মধ্যে থাকতে হয়। যেমন, পুরনো কিছু খেলোয়াড় ছিল যারা র্যাঙ্কিং প্রক্রিয়ার মধ্যে আছে।’
আসরে মোট কতজন যাবেন? এমন প্রশ্নে এনপিসি মহাসচিব বলেছেন, ‘আমাদের ক্লাসিফিকেশন সাইন্টিফিক ক্রাইটেরিয়া, যেমন এখন দেখা গেছে কারও হাত নেই, কারও পা নেই, বা কেউ হুইলচেয়ার পার্সন। এটি একটি ক্লাসিফিকেশনের মাধ্যমে ওদেরকে ঠিক করতে হয় যে ওরা আসলে কতটা উপযুক্ত খেলার জন্য। আমাদের খেলোয়াড়রা সমমানের খেলোয়াড়দের সাথেই খেলে। আন্তর্জাতিকেও দেখা যায় ওদের কারও আপার লিম্বে প্রবলেম বা লোয়ার লিম্বে প্রবলেম। এই ক্লাসিফিকেশন ক্রাইটেরিয়া মেনে, র্যাঙ্কিং প্রক্রিয়া মেনে আমরা সবকিছু জমা দিয়েছি। এখন এপিসি বা আইপিসি আমাদেরকে চূড়ান্ত তালিকা দেবে। আমরা মোট ছয়টি ইভেন্টের জন্য ২৩ জন নির্বাচন করেছি।’
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর আশ্বাস নিয়ে মারুফ আহমেদ মৃদুল বলেছেন, ‘মন্ত্রী মহোদয় বলেছেন সর্বাত্মক সহযোগিতা করবেন। আমাদের প্রশিক্ষণের জন্য যা দরকার বা আমাদের দেশের বাইরে যখন আমরা টিম নিয়ে যাব, অক্টোবরের ১১ তারিখে, মন্ত্রণালয় সমর্থন দেবে, এনএসসিও। সারা বাংলাদেশ থেকে, একদম প্রত্যেকটা জেলা-উপজেলা থেকে যেন আমরা ট্যালেন্ট হান্ট প্রোগ্রামের মাধ্যমে বা ‘নতুন কুঁড়ি প্যারা স্পোর্টস’র আয়োজন যেন করি এমন কথা বলেছেন।’



