চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রাক-মৌসুমী বৃষ্টি বলয় ‘বিজলী’ দেশের দিকে ধেয়ে আসছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিম (বিডব্লিউওটি)।
সংস্থাটি জানিয়েছে, ২৭ মার্চ সন্ধ্যা থেকেই এর প্রভাব শুরু হতে পারে এবং ২৮ থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত দেশের প্রায় ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ এলাকায় মাঝারি ধরনের বৃষ্টি ও কালবৈশাখী ঝড়ের সম্ভাবনা রয়েছে। বৃষ্টি বলয়টি আংশিক এবং কিছু নির্দিষ্ট অঞ্চলে বেশি সক্রিয় হবে।
সর্বাধিক সক্রিয় অঞ্চল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগ, মাঝারি সক্রিয় অঞ্চল হিসেবে ঢাকা, রংপুর, বরিশাল ও চট্টগ্রাম, এবং কম সক্রিয় অঞ্চল হিসেবে রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের কিছু অংশ। প্রবল ঝড়ের সময় বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে।
এছাড়া মাঝারি থেকে তীব্র বজ্রপাত এবং বিক্ষিপ্ত শিলাবৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। উত্তরের বঙ্গোপসাগরও কিছুটা উত্তাল থাকতে পারে। উত্তরাঞ্চল এবং সিলেট অঞ্চলে একটানা বর্ষণের কারণে পাহাড়ি এলাকায় সামান্য পাহাড় ধসের ঝুঁকি রয়েছে। তবে এই বৃষ্টির ফলে দেশের প্রায় ২০ থেকে ২৫ শতাংশ এলাকার সেচের চাহিদা পূরণ হবে, যা কৃষির জন্য সহায়ক হিসেবে কাজ করবে।
এছাড়া দেশের উত্তর ও মধ্যাঞ্চলে আবহাওয়া আরামদায়ক থাকবে, তবে দক্ষিণ ও পশ্চিমাঞ্চলে বৃষ্টি না হলে ভ্যাপসা গরম অনুভূত হতে পারে। বৃষ্টির মেঘের গতিপথ মূলত উত্তর-পশ্চিম থেকে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বৃষ্টি বলয় ‘বিজলী’ কৃষি ও আবহাওয়ার দিক থেকে দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।
আবহাওয়া সংস্থা বিডব্লিউওটি বিশেষ সতর্কবার্তা জারি করেছে। এতে বলা হয়েছে, বজ্রপাতের সময় খোলা স্থানে না থেকে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার এবং পাহাড়ি এলাকায় বসবাসরতদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।




