তেলের যুগে ক্ষমতা কুক্ষিগত থাকে বড় বড় বহুজাতিক তেল কোম্পানি ও গুটিকয়েক রাষ্ট্রের হাতে, যাদের সঙ্গে স্থানীয় মানুষের খুব একটা সম্পর্ক থাকে না। কিন্তু নতুন পৃথিবীতে আফ্রিকা, লাতিন আমেরিকা বা এশিয়ার খনিজ সমৃদ্ধ অঞ্চলগুলোর স্থানীয় মানুষের ক্ষমতা অনেক বেড়ে যেত।
বর্তমানে খনিজ উত্তোলনের ক্ষেত্রে পরিবেশ রক্ষার কড়া বৈশ্বিক আইন ও সামাজিক সম্মতির যে চল শুরু হয়েছে, তা তেলের যুগে কখনোই ছিল না। ফলে স্থানীয়দের মতামত ছাড়া কেউ চাইলেই তাদের সম্পদ তুলে নিয়ে যেতে পারবে না!
কার্বন নির্গমন কমানো শুধু জলবায়ু বাঁচানোর জন্যই নয়, এটি বিশ্বরাজনীতিকে আরও স্থিতিশীল এবং বিকেন্দ্রীভূত করতে পারে। আজকের এই জীবাশ্ম জ্বালানিনির্ভর ব্যবস্থাটি যে কতটা ভঙ্গুর, বর্তমান মধ্যপ্রাচ্যের সংকট সেটাই চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে। নবায়নযোগ্য শক্তির পৃথিবীতেও হয়তো ভূ-রাজনীতি বা সংঘাত থাকবে, কিন্তু তা আজকের মতো রাতারাতি পুরো বিশ্বকে স্থবির করে দিতে পারবে না!



