রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ৩নং ফেরি ঘাটে পদ্মা নদীতে পড়ে যাওয়া ‘সৌহার্দ্য পরিবহন’ এর উদ্ধার অভিযান শুরু হয়েছে। উদ্ধার হওয়াদের মধ্যে ২ নারীকে মৃত ঘোষণা করেছে হাসপাতালের চিকিৎসকরা। ওই বাসে অর্ধশতাধিক যাত্রী ছিল। ফায়ার সার্ভিসসহ অন্যান্য ডুবুরি দল কাজ শুরু করেছে।
বুধবার (২৫মার্চ) বিকেল ৫টার দিকে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ৩ নম্বর ফেরিঘাট এলাকায় এ দুর্ঘটনাটি ঘটে। কয়েকজন যাত্রী সাতরিয়ে পাড়ে উঠলেও বেশির ভাগ যাত্রীদের সন্ধান মেলেনি।
রাজবাড়ী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সহকারী পরিচালক মো. সোহেল রানা বলেন, উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা ও মানিকগঞ্জের ডুবুরি দল এসে উদ্ধার কাজ শুরু করেছে। সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত বাসটি উদ্ধার সম্ভব হয়নি।
গোয়ালন্দ হাসপাতালের আরএমও শরীফুল ইসলাম বলেন, ৩ জন হাসপাতালে আনা হয়। এর মধ্যে ২জন নারী নিহত হয়েছেন। একজন জীবিত অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছে। মৃতদের মরদেহ গোয়ালন্দ হাসপাতালে রাখা হয়েছে।
স্থানীয় শাহজাহান শেখ বলেন, সৌহার্দ্য পরিবহনের একটি বাস ফেরিতে উঠতে গেলে হঠাৎ করেই পদ্মা নদীতে পড়ে যায়। ৫-৬জন যাত্রী সাতরিয়ে নদীর কূলে আসলেও অন্যান্যদের পাওয়া যায়নি। উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা, ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল এসে উদ্ধার তৎপরতা শুরু করেছে।
বেঁচে যাওয়া যাত্রী আইন উদ্দিন বলেন, কুমারখালী থেকে ২.১০ মিনিটে বাস ছাড়ে। আমি, স্ত্রী, ছেলে ও মেয়ে বাসে ঢাকার সাভার যাচ্ছিলাম। সবাই বেঁচে গেলেও মেয়ে বাসের মধ্যে রয়েছে।
খবর পেয়ে রাজবাড়ী-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. হারুন-অর রশীদ, রাজবাড়ী জেলা প্রশাসক সুলতানা আক্তার, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর মোরশেদ সরেজমিন উপস্থিত হন।




