যেমন কার্বন ট্যাক্স। ইউরোপ নতুন করে ‘কার্বন ট্যাক্স’ (সিবিএএম) চালু করেছে। ভারত মনে করে, এটি ভারতের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করবে।
আবার ভারত তাদের কৃষকের স্বার্থ রক্ষায় কৃষি ও দুগ্ধজাত পণ্যকে এই চুক্তির বাইরে রাখতে চায়। তবে গাড়ি, ওয়াইন ও স্পিরিটের ওপর শুল্ক ধাপে ধাপে কমানোর আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
ইউরোপীয় ইউনিয়ন ভারতের কাছে আরও শক্তিশালী পেটেন্ট আইন ও তথ্যের সুরক্ষা দাবি করছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ২৭ জানুয়ারি শীর্ষ সম্মেলনে এই চুক্তির ঘোষণা আসতে পারে। এটি সফল হলে ভারত ও ইউরোপ উভয়ই চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের ওপর বাণিজ্যিক নির্ভরতা কমাতে পারবে।
অবশ্য পরিবেশ বা মানবাধিকার ইস্যুতে ইউরোপের কিছু আপত্তি ছিল। কিন্তু বর্তমান ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ভারতের সঙ্গে হাত মেলানোকেই তারা সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ বলে মনে করছে।
বিশ্লেষকদের ধারণা, ২০২৫ সালের নভেম্বর থেকে ভারতের রাশিয়া থেকে অপরিশোধিত তেল কেনা কমানোর সিদ্ধান্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের পার্লামেন্টে চুক্তিটি অনুমোদন পেতে সহায়ক হতে পারে। চুক্তিটি কার্যকর করতে ওই পার্লামেন্টের অনুমোদন প্রয়োজন হবে।



