কানাডা থেকে আমদানিকৃত কিছু পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নতুন এই সিদ্ধান্তে দুই দেশের বাণিজ্য উত্তেজনা আরও বেড়েছে। তবে পরিস্থিতি মোকাবেলায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা জোরদারের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি। আজ (২১ জুলাই) মঙ্গলবার প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে বিবিসি জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের গাড়ি, দুগ্ধ ও অ্যালকোহল খাতে কানাডার কথিত ‘বৈষম্যমূলক বাণিজ্য নীতির’ জবাব হিসেবেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করেছে হোয়াইট হাউস। নতুন শুল্ক ৩০ দিনের মধ্যে কার্যকর হবে। এটি কানাডা থেকে আমদানি হওয়া নির্ধারিত পণ্যের ওপর প্রযোজ্য হবে, এমনকি সেগুলো কানাডা-যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (ইউএসএমসিএ) এর আওতায় থাকলেও। নতুন শুল্কের তালিকায় ওয়াইন, হকি স্টিকসহ বিভিন্ন ভোগ্যপণ্য এবং সিমেন্টের মতো শিল্পপণ্য রয়েছে। তবে জ্বালানি, পটাশ, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ এবং মাছের মতো কানাডার কয়েকটি প্রধান রপ্তানি পণ্য এ শুল্কের বাইরে রাখা হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তের প্রতিক্রিয়ায় কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি বলেছেন, তার সরকার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনা আরও জোরদার করতে প্রস্তুত। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই শুল্ককে যুক্তরাষ্ট্রের একতরফা বাণিজ্য পদক্ষেপের ধারাবাহিকতা হিসেবে উল্লেখ করেন। তার ভাষায়, মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির নীতিমালা লঙ্ঘনের মধ্য দিয়েই এই ধরনের পদক্ষেপের সূচনা হয়েছিল। একই সঙ্গে কার্নি কানাডার সার্বভৌমত্ব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।


