টেবিল জুড়েই ‘বিশ্ব ভ্রমণ’ মুর্শিদাবাদের এই রোড সাইড ধাবার মালিকের, জেনে নিন বদরের ‘মুদ্রা’ কাহিনি

টেবিল জুড়েই ‘বিশ্ব ভ্রমণ’ মুর্শিদাবাদের এই রোড সাইড ধাবার মালিকের, জেনে নিন বদরের ‘মুদ্রা’ কাহিনি

Last Updated:

মুর্শিদাবাদের চাণকে রয়েছে হাইওয়ের ধারে ধাবা। নিজের যখন ১২ বছর বয়স, তখন থেকেই এই হোটেল বদর শেখের। তবে তাঁর অদ্ভুত নেশা। তা হল বিভিন্ন দেশের মুদ্রা সংগ্রহ করে রাখা। প্রায় ২০টি দেশের মুদ্রা তিনি সংগ্রহ করে রেখেছেন।

টেবিল জুড়েই ‘বিশ্ব ভ্রমণ’ মুর্শিদাবাদের এই রোড সাইড ধাবার মালিকেরটেবিল জুড়েই ‘বিশ্ব ভ্রমণ’ মুর্শিদাবাদের এই রোড সাইড ধাবার মালিকের, জেনে নিন বদরের ‘মুদ্রা’ কাহিনি
টেবিল জুড়েই ‘বিশ্ব ভ্রমণ’ মুর্শিদাবাদের এই রোড সাইড ধাবার মালিকের

আবীর ঘোষাল, মুর্শিদাবাদ: টেবিল জুড়ে সাজানো রুপি, টাকা, দিনার। ইয়েন, ডং, পাউন্ড ও ডলার আছে। এক সঙ্গে এত দেশের মুদ্রা দেখে অবাক সকলে। নাম বদর শেখ। পেশায় ব্যবসায়ী। মুর্শিদাবাদের চাণকে রয়েছে হাইওয়ের ধারে ধাবা। নিজের যখন ১২ বছর বয়স, তখন থেকেই এই হোটেল বদর শেখের। তবে তাঁর অদ্ভুত নেশা। তা হল বিভিন্ন দেশের মুদ্রা সংগ্রহ করে রাখা। প্রায় ২০টি দেশের মুদ্রা তিনি সংগ্রহ করে রেখেছেন।

আরও পড়ুন– রিল বানাতে গিয়ে গঙ্গায় তলিয়ে গেলেন মহিলা! শিশুর ‘মা,মা’ আর্তনাদ…দেখে উত্তেজিত নেটদুনিয়া রিল ব্যানের দাবিতে সরব

রোড সাইড ধাবার নাম কালু হোটেল। সেই হোটেলে অন্যতম আকর্ষণ হল একটা টেবিল। যেখানে সাজানো এই সব মুদ্রা। বদর বাবু জানাচ্ছেন, ‘‘এই সব টাকা তাঁকে কেউ গিফট করেছে। কাউকে দিয়ে আবার আনিয়েছেন। এটাই তার নেশা। বদর বাবু জানাচ্ছেন, বিশ্বের নানা দেশে যাওয়ার শখ রয়েছে। কাজের জন্যে তো আর সব জায়গায় যেতে পারি না। তাই যারা বিভিন্ন দেশে গিয়েছেন তাঁদের সঙ্গে গল্প করি। অনেকে যারা আমার হোটেলে খেতে আসেন তারা গল্প শোনান। সেই সব দেশের কথা শুনতে আমার ভাল লাগে।’’

আরও পড়ুন– ‘Waqf By User’ দ্বন্দ্বে বিভক্ত সুপ্রিম কোর্ট আর সরকার, কোর্টের সমর্থনে দুর্বল হয়ে পড়তে পারে আইন, সরকার পেশ করতে চলেছে জোরালো যুক্তি

আর সেই ভাল লাগায় অনেকে তাকে এই নোট গিফট করেন। সেই সব একটা টেবিলে তিনি সাজিয়ে রেখেছেন। খেতে এসে সবার চোখ আটকায় সেই টেবিলেই। ১২ নম্বর জাতীয় সড়ক ধরে প্রতি মুহূর্তে ছুটে বেড়াচ্ছে গাড়ি। শিলিগুড়ি থেকে কলকাতার দিকে আসার সময়ে পড়বে এই ধাবা। এলাকার মানুষের কাছে বেশ জনপ্রিয় এই হোটেল। সন্ধ্যায় স্থানীয় গ্রামের অনেকেই এখানে আসেন চা খেতে, আড্ডা দিতে। তারাও একবার করে ঢুঁ মেরে যান এই হোটেলের টেবিলে। জানতে চান, নতুন কোনও মুদ্রা সংগ্রহে আছে কিনা। হাসিমুখে অবশ্য সব প্রশ্নের উত্তর দেন বদর বাবু। তিনি জানিয়েছেন, ‘‘আমিও আশা করি একদিন বিদেশ যাব। আমি নিজে থেকে মুদ্রা সংগ্রহ করে রাখব। তবে যতদিন না যেতে পারছি, ততদিন এই টেবিল আমার কাছে বিশ্ব।’’

Next Article

Theatre Festival: ‘ব্যারাকপুর জুড়ে আছে সংস্কৃতি-কৃষ্টি…’ নতুন নাটকের দলের ১০ বছর পূর্তিতে ফাইন আর্টসে নাট্য উৎসব

Scroll to Top