জলবায়ুর ক্ষয়ক্ষতির উপাত্ত যেন আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে গ্রহণযোগ্য হয়

জলবায়ুর ক্ষয়ক্ষতির উপাত্ত যেন আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে গ্রহণযোগ্য হয়

অধ্যাপক হাফিজুর রহমান বলেন, ‘আমরা নিজেদের ক্ষতিগ্রস্ত দাবি করি। কিন্তু এর সপক্ষে কোনো উপাত্তভিত্তিক প্রমাণ দিতে পারি না।’ এ ড্যাশবোর্ড সঠিক ও নির্ভুল উপাত্ত প্রস্তুতকরণে সাহায্য করবে বলে মনে করেন তিনি।

ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণে উপাত্ত প্রধান ভিত্তি হিসেবে কাজ করে জানিয়ে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল রিসার্চের সহকারী পরিচালক রউফা খানম বলেন, ‘প্রমাণ তৈরিতে উপাত্ত খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের এখানে একেক সংস্থা একেকভাবে উপাত্ত তৈরি করে। লস অ্যান্ড ড্যামেজের আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে আমাদের মানদণ্ড সাযুজ্যপূর্ণ হচ্ছে কি না, সেটা দেখতে হবে।’

সমাপনী বক্তব্যে অক্সফাম ইন বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর আশীষ দামলে তরুণদের শক্তির ওপর ভর করে জলবায়ু ন্যায্যতা নিশ্চিতের আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে লস অ্যান্ড ড্যামেজ ড্যাশবোর্ড বিষয়টি উপস্থাপনা করেন অক্সফাম ইন বাংলাদেশের ক্লাইমেট জাস্টিস অ্যান্ড ন্যাচারাল রিসোর্চ বিভাগের প্রধান মোহাম্মদ ইমরান হাসান।

Scroll to Top