জহিরুল ইসলামের দাবি, আগুনে তাঁর প্রায় ছয় লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। কীভাবে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে, তা তিনি নিশ্চিত নন। তবে শত্রুতাবশত কেউ আগুন লাগিয়ে থাকতে পারে বলেও তাঁর সন্দেহ। আক্ষেপ নিয়ে বলেন, ‘চোখের সামনে দোকানডা পুড়ল। এহন সামনে শুধু অন্ধকারই দেখতাছি।’
জহিরুল ইসলামের ভাতিজা পারভেজ পাটোয়ারী বলেন, অনেক কষ্ট করে তাঁর চাচা দোকানটি গড়ে তুলেছিলেন। দোকানটির ব্যবসাও ভালো চলছিল। আগুনে সব পুড়ে যাওয়ায় তিনি এখন প্রায় সর্বস্বান্ত হয়ে পড়েছেন।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদা কুলসুম (মনি) বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত দোকানিকে সহায়তা দিতে এবং তাঁর পাশে দাঁড়াতে উপজেলা প্রশাসন আন্তরিকভাবে চেষ্টা করবে।



