চুয়াডাঙ্গার ডিসি–এসপির আশ্বাসে ১৪ ঘণ্টা পর লাশ নিতে দিলেন নেতা–কর্মীরা

চুয়াডাঙ্গার ডিসি–এসপির আশ্বাসে ১৪ ঘণ্টা পর লাশ নিতে দিলেন নেতা–কর্মীরা

বিএনপির নেতা মাহমুদ হাসান খান বলেন, ‘হিসাব পরিষ্কার। কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়। কেউ যদি আইনের বাইরে কাজ করে, তাকে ছাড় দেওয়া হবে না। যারা আইন হাতে তুলে নিয়ে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, তাদের বিচার হবে। আমি যদি আইনবিরোধী কাজ করি, আমার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

বিএনপির নেতা মো. শরীফুজ্জামান বলেন, ‘ডিসি-এসপি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে। আমি ও জেলা বিএনপির সভাপতি সার্বক্ষণিক থাকব, যতক্ষণ পোস্টমর্টেম শেষ না হবে; এখানে কোনো ছলচাতুরি, কোনো নাটক যাতে সৃষ্টি না হয়।’

জীবননগর শহরের বসুতিপাড়ার বাসিন্দা শামসুজ্জামান ব্যক্তিগত জীবনে বিবাহিত। তাঁর স্ত্রী জেসমিন খাতুন গৃহিণী। তিন সন্তানের মধ্যে মেয়ে একজন, বাকি দুজন ছেলে।

Scroll to Top