নামকরণের কারণ খুঁজে জানা গেল, দুখিয়া পাহাড়ে রয়েছে ছোট একটি ঝরনা। আর ঝরনাকে স্থানীয় ব্যক্তিরা বলেন, ‘পাহাড়ের কান্না’। তাই পাহাড়টির নাম দুইখ্যের পাহাড় বা দুখিয়া পাহাড়। অন্যদিকে মেঘের অপরূপ সৌন্দর্য দেখা যায় বলে উঁচু পাহাড়টির নাম সুইখ্যের পাহাড় বা সুখিয়া পাহাড়। মেঘের সৌন্দর্যের টানে আসা রাত্রিযাপনের কথা মাথায় রেখেই এ বছরের শুরুতে এই পাহাড়ে ‘ইকো-ট্যুরিজম’ গড়ে ওঠে।
মূলত বাঁশের তৈরি মাচাং ঘর, কাঠের তৈরি কটেজ ও চারতলা উঁচু ওয়াচ টাওয়ার নিয়ে সাজানো হয়েছে সুখিয়া ভ্যালিকে। যেখান থেকে বিকেলে মাতামুহুরীর আঁকাবাঁকা বয়ে চলা, পাহাড়ের পেছনে সূর্যের অস্ত যাওয়া আর রাতের আকাশে অসংখ্য তারা দেখা যাবে। তবে এখানে পর্যটকেরা আসেন মূলত ভোরের মেঘে ঢাকা রূপ দেখতে।
লামার পর্যটন সম্ভাবনা নিয়ে জানতে চাইলে বান্দরবানের জেলা প্রশাসক শাহ্ মোজাহিদ উদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, ‘একসময়ের দুর্গম পাহাড়ি লামা বর্তমানে জমজমাট পর্যটন এলাকা। বাণিজ্যিকভাবেও পর্যটন সম্ভাবনা গড়ে উঠছে পাহাড়ে। নিরাপত্তার জন্য লামা-আলিকদমে আমরা ইতিমধ্যে ট্যুরিস্ট পুলিশ দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছি।’


