ঘর বাঁচলে জীবন বাঁচে, দারিদ্র্য কমে, মর্যাদাও বাড়ে

ঘর বাঁচলে জীবন বাঁচে, দারিদ্র্য কমে, মর্যাদাও বাড়ে

জলবায়ু ক্ষতি রক্ষায় আরও নিরাপদ ঘরের প্রয়োজন। বাংলাদেশ জলবায়ু ঝুঁকির অন্যতম শীর্ষ দেশ। উপকূলে ঘূর্ণিঝড় ও লবণাক্ততা। উত্তরাঞ্চলে বন্যা ও নদীভাঙন। সেখানে সাধারণ ঘর যথেষ্ট নয়। দরকার জলবায়ু-সহনশীল ঘর।

গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ডের (জিসিএফ) অর্থায়নে চলছে ‘রেজিলিয়েন্ট হোমস্টেড অ্যান্ড লাইভলিহুড সাপোর্ট টু দ্য ভালনারেবল কোস্টাল পিপল অব বাংলাদেশ’ (আরএইচএল) প্রকল্প। কর্মকাণ্ড বাস্তবায়ন করা হচ্ছে খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা ও কক্সবাজারের ২১টি উপজেলায়। ১৮টি সহযোগী সংস্থা এতে যুক্ত। লক্ষ্য ৩ হাজার বসতভিটা। প্রতিটি ঘরে উঁচু ভিটা, শক্ত কাঠামো, নিরাপদ স্যানিটেশন, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ, সৌরবিদ্যুৎ ও উন্নত চুলা আছে। চারপাশে লাগানো হচ্ছে ঝড়-প্রতিরোধী গাছ। ২ লাখ ৫০ হাজারের বেশি গাছ এরই মধ্যে লাগানো হয়েছে।

২০২৫ সালের মে মাসে ঘূর্ণিঝড় ৭ জেলায় ৫০ হাজারের বেশি ঘর ক্ষতিগ্রস্ত করে। সেই সময় আরএইচএল ঘরে নিরাপদ ছিল ৭০০ পরিবার। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে সাতক্ষীরার আশাশুনিতে ভূমিকম্পে প্রকল্পের ইটের ঘরের কোনো ক্ষতি হয়নি বলে জানানো হয়েছে। ঘরের পাশাপাশি আছে আয় কর্মকাণ্ডে সহায়তা। উঁচু মাচায় ছাগল-ভেড়া পালন, লবণসহিষ্ণু সবজি চাষ, বস্তায় আদা চাষ ও কাঁকড়া চাষে সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। ২০২৫ সালে ৬ হাজার ১৮৮ জন আদা চাষি প্রায় ৩ কোটি ৬০ লাখ টাকা আয় করেছেন।

Scroll to Top