গ্রামে অস্থায়ী সিনেমা হল, কালীপুজোয় জঙ্গলমহলে ভিন্ন আয়োজন, চুটিয়ে উপভোগ করলেন আট থেকে আশি

গ্রামে অস্থায়ী সিনেমা হল, কালীপুজোয় জঙ্গলমহলে ভিন্ন আয়োজন, চুটিয়ে উপভোগ করলেন আট থেকে আশি

Last Updated:

এককালে শহরে ছিল ভিডিও হল। পরবর্তীতে অবশ্য হয় সিনেমা হল। তারপর ঝাঁ চকচকে সিনেমা দেখার প্রবণতা ছিল।

+

গ্রামে অস্থায়ী সিনেমা হল, কালীপুজোয় জঙ্গলমহলে ভিন্ন আয়োজন, চুটিয়ে উপভোগ করলেন আট থেকে আশি

কালীপুজোয় সিনেমা দেখল জঙ্গলমহল

কেশিয়াড়ি, পশ্চিম মেদিনীপুর, রঞ্জন চন্দ: সভ্যতার উন্নতিতে হারিয়ে যাচ্ছে একেকটা জিনিস। ধরুন এককালে ছিল ভিডিও হল। সপ্তাহে অন্তত একটা দিন সেই ভিডিও হলে ভিডিও দেখতে যেতেন অনেকেই। পরবর্তীতে আসে গ্রামে গ্রামে ভিডিও দেখার প্রবণতা। তবে বর্তমানে মোবাইল, ইন্টারনেট কিংবা টেলিভিশনের যুগে কেমন ভিডিও হল? কেমনবা সিনেমা হল তা জানে না অনেকেই। কিংবা বয়স্কদের মধ্যে সেই নস্টালজিয়া ভিডিও হল এখন নেই। তাই ছোট্ট ছোট্ট বাচ্চাদের থেকে বড়দের সেই নস্টালজিক দিন ফিরিয়ে দিতে কালীপুজোর দিন এক অভিনব আয়োজন করল একদল যুবক। পশ্চিম মেদিনীপুরের জঙ্গলমহলে প্রত্যন্ত এলাকায় তৈরি করা হল ভিডিও হল। আর তাতেই দেখানো হল দুর্ধর্ষ এক সিনেমা।

এককালে শহরে ছিল ভিডিও হল। পরবর্তীতে অবশ্য হয় সিনেমা হল। তারপর ঝাঁ চকচকে সিনেমা দেখার প্রবণতা ছিল। তবে হাতের মুঠোয় ফোন কিংবা বাড়িতে টেলিভিশনের কারণে এখন অধিকাংশ জায়গায় বন্ধ হয়ে গিয়েছে সিনেমা হল। এককালে হারিয়ে গিয়েছে ভিডিও হল। হলে ঝুলছে তালা। ৯০ এর দশকে যে স্বাদ নিতে গ্রাম থেকে শহরে যেতেন বহু মানুষ তা এখন ভুলতে বসেছেন তারা। ভিডিও হলে হই হুল্লোড় করে সিনেমা দেখা এখন অতীত। তাই বয়স্কদের কাছে সেই দিন ফিরিয়ে দিতে এবং ছোট ছোট ছেলেদের কাছে সিনেমা দেখার মানসিকতা তৈরি করতে অভিনব আয়োজন তাদের।

পশ্চিম মেদিনীপুরের জঙ্গলমহল কেশিয়াড়ির অর্জুনগেরিয়া টুয়েলভ স্টার ক্লাবের উদ্যোগে শ্যামাপুজো উপলক্ষে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক আয়োজনের পাশাপাশি তৈরি করা হয় ভিডিও হল। বড়পর্দায় দেখান হয় সিনেমা। গ্রামের মানুষ বিভিন্ন কাজের পর সেই সিনেমা উপভোগ করে প্রায় তিন ঘন্টা ধরে। উদ্যোক্তাদের দাবি, বাড়িতে বাড়িতে টেলিভিশন থাকার সত্বেও ভিডিও বা সিনেমা হলে বসে একসঙ্গে সিনেমা দেখার আনন্দ ফিরিয়ে দিতে এই আয়োজন।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন

যদিও এদিনের এই একদিনের ভিডিও হলে বেশ উত্তেজনা ছিল। প্রায় তিন ঘন্টা সিনেমা উপভোগ করলেন গ্রামবাসীরা।

Scroll to Top